জীবননগর শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি আবুল হোসেন ফটিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আবুল হোসেন জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের বড় মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী শিশুসহ পাঁচ শিশু মিলে শাক তুলতে গ্রামের হাড়িভাঙ্গা মাঠে যায়। এ সময় তারা মাঠের পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। সেখানে দিয়ে ভ্যানচালক আবুল হোসেন যাচ্ছিল। ভ্যানচালক শিশু মরিয়মকে শাক তোলার কথা বলে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ শেষে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় অন্য শিশুরা মরিয়মের কথা জানতে চাইলে সে বলে শাক তুলছে মাঠে।
ঘটনার পরের দিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। স্থানীয় একটি ইটভাটার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি আবুল হোসেন ফটিককে শনাক্তের পর ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা জীবননগর থানার এস আই সাইফুল ইসলাম আবুল হোসেন ফটিককে অভিযুক্ত করে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এ মামলায় ৩১ জন সাক্ষীর সকলের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পুলিশ পাহারায় তাকে জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।


