প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫-এর জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৯ শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে। চার বছরের মধ্যে ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের জন্য সাতজন করে এবং ২০২৫ সালের জন্য আটজন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনোনীত শিক্ষার্থীদের আগামী ১ অক্টোবর অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক মনোনয়ন ফরম অথবা বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে দেওয়া ফরম নির্দেশনা অনুযায়ী পূরণ করে দুই সেট হার্ডকপি জমা দিতে হবে।
মনোনীত শিক্ষার্থীদের নিজ সইযুক্ত প্রত্যয়নপত্র, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও মার্কশিট, ট্রান্সক্রিপ্ট বা গ্রেডশিট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে।
সব কাগজপত্র যথাযথভাবে সত্যায়িত করে সংশ্লিষ্ট ইনস্টিটিউটের পরিচালক বা বিভাগীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সফটকপি পিডিএফ আকারে নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
২০২২ সালের জন্য মনোনীত সাত শিক্ষার্থী হলেন সাদ্দাম হোসাইন, রুমানা সিদ্দিকা মারুফা, আয়েশা আক্তার, রোকেয়া পারভিন, মো. বিল্লাল হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রোমা ও মুজতানিবা জাহান মাশরাকা।
২০২৩ সালের জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন মো. আনোয়ার শাহ, সারমিন আক্তার, সাদিয়া জান্নাত মিতু, জয় পাল, মোছা. শুমোনা আক্তার, তানজুম আহমেদ নূদী ও তাসনিমা আক্তার।
২০২৪ সালের জন্য মনোনীত সাতজন হলেন আরিফুল ইসলাম, আসমা আক্তার, মুহাম্মদ গোলাম রোহমান শাফি, সাদিয়া খানম, রাগিব শাহরিয়ার রাফি, জান্নাতুন নাহের উর্মি ও মো. মুহিব আহসান চৌধুরী।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের জন্য মনোনীত আট শিক্ষার্থী হলেন সোমাইয়া তাবাসসুম, ফারিয়া আক্তার ইভা, শানজিদা সারমিন মৌরি, দীপান্বিতা বৈদ্য, আনিকা তাবাসসুম অন্তরা, আভা রহমান, বিদিশা অধিকারী ও মোছা. ফারিয়া ইয়াসমিন।
ইউজিসির প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক আবেদন গাইডলাইন অনুযায়ী, আবেদনপ্রক্রিয়া তিন ধাপে সম্পন্ন করতে হবে। ধাপগুলো হলো স্টুডেন্ট ইনফরমেশন, একাডেমিক পারফরম্যান্স অ্যান্ড অ্যাটাচমেন্টস এবং রিভিউ অ্যান্ড ফাইনাল সাবমিশন। আবেদনকারীরা চাইলে আবেদনটি ড্রাফট হিসেবে সংরক্ষণ করে পরে সম্পন্ন করতে পারবেন।


