দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর

দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর
কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মিশেল লি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরির লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মিশেল লি এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বুধবার মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে সিঙ্গাপুর ওভারসিজ টেস্টিং সেন্টার (ওটিসি) রয়েছে ৬টি। প্রতিমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তির মান যাচাইয়ের জন্য এই সংখ্যা ন্যূনতম ১০টিতে উন্নীত করার অনুরোধ জানান।

প্রচলিত খাতের পাশাপাশি ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, নার্সিং, কেয়ারগিভিং, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং হোটেল ব্যবস্থাপনা সেক্টরে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগের আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন

স্বচ্ছ ও নিরাপদ নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসল-কে ‘সেন্ডিং অর্গানাইজেশন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দেন প্রতিমন্ত্রী।

বর্তমানে সিঙ্গাপুরে প্রায় ১ দশমিক ৩৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত। বাংলাদেশে থাকা ৬টি ‘ইন্সটিটিউট অব ম্যারিন টেকনোলজি’র গ্র্যাজুয়েটদের সিঙ্গাপুরের বন্দরে নিয়োগ এবং ‘স্যান্ডবক্স’ প্রকল্পে বাংলাদেশের কোটা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সিঙ্গাপুরের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে চাঙ্গি এয়ারপোর্ট, সান্তোসা দ্বীপ ও পায়া লেভার এয়ারবেসের মতো বড় প্রকল্পে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়াও তিনি দুই দেশের যোগাযোগ বাড়াতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সংখ্যা বর্তমান ৭টি থেকে বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তিনি কর্মীদের উন্নত কারিগরি দক্ষতা এবং সিঙ্গাপুরের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিমানবন্দরে যাত্রী তথ্য ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগেরও আগ্রহ দেখান তিনি।

সাক্ষাৎকালে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব ধানিয়া লিঙ্গেস, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ শাহীন এনডিসিসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad