ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, দেশ পরিচালনায় যারা ব্যর্থ হয়েছে, তাদের নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, গত ৫৫ বছরে ব্যক্তি ও দলের উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু দেশ-জাতির কোনো কল্যাণ হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশকে নতুন করে গড়ার একটি সুযোগ নিয়ে এসেছে। অতীতে দেশ পরিচালনায় বারবার যারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, তাদের নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই। বরং নতুন বাংলাদেশ গড়তে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হাতপাখায় ভোট দিন।
শনিবার মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি ও ছনবাড়ি বাজারে আয়োজিত মুন্সিগঞ্জ-১ ও ২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সমঝোতার ব্যাপারে বলেন, অস্পষ্ট নীতি-আদর্শে দেশ চলতে পারে না। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি কথা দিচ্ছি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে জনগণের টাকা কারও পকেটে যাবে না। দুর্নীতি হবে না। টাকা পাচার হবে না। সন্ত্রাস থাকবে না, ইনশাআল্লাহ।’
‘আমরা ইসলামের পক্ষে ওয়ান বক্স পলিসির কথা বলেছিলাম। সেই নীতি এখনো বিদ্যমান। একমাত্র আমরাই ইসলামের কথা বলছি। আর কেউ ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলছে না। একটি দল চক্রান্তের জাল বিস্তার করে আমাদের একা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারাই বাস্তবে একা হয়ে গেছে। দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ ও উলামায়ে কেরাম আমাদের সঙ্গে আছে,’ যোগ করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘আমরা ১৯৮৭ সাল থেকে মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাচ্ছি। কোনো ধরনের লোভ-লালসার বশবর্তী হয়ে নীতি বিসর্জন দিইনি। কিন্তু কেউ কেউ ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নানা ধরনের গোপন বৈঠক করছে। এসব করে কোনো লাভ হবে না। এই রাষ্ট্র এই দেশের জনগণই গড়বে, অন্য কেউ নয়। তাই দেশের কল্যাণ চাইলে, দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে এবং জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে চাইলে হাতপাখায় ভোট দিন।’
মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হয়ে হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচন করছেন দলের সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান এবং মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি কে এম বিল্লাহ হোসেন।


