দেশ ও জনগণের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই হবে পররাষ্ট্রনীতি: তারেক রহমান

দেশ ও জনগণের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই হবে পররাষ্ট্রনীতি: তারেক রহমান
রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

দেশ ও জনগনের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপি পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে সংক্ষিপ্তভাবে এই নীতির কথা তুলে ধরেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমার দেশের মানুষের সমস্যার সমাধান করে, আমার দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে যাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা সম্ভব, অবশ্যই আমরা তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করব।’

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে একটি বিরাট সমস্যা আছে, এটি মানবিক সমস্যা। সেটি হচ্ছে রোহিঙ্গা সমস্যা। আমাদের নিজের দেশের জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি। এই জনসংখ্যার কর্মসংস্থান, খাদ্যের সংস্থান, চিকিৎসার ব্যবস্থা সব কিছু করতে হবে। আমাদের প্রায় ১ দশমিক ২ মিলিয়নের মতো রোহিঙ্গা আছে। তারাও মানুষ, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অবশ্যই তাদের আমরা দেখব। কিন্তু সেই সঙ্গে আমরা চাইব, তাদের জন্য সেফ একটা সিচুয়েশন তৈরি হোক এবং ধীরে ধীরে তারা তাদের এলাকায় ফিরে যাক। অর্থাৎ আমরা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চাই।’

আরও পড়ুন

তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের পদ্মা, তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন নদীর পানি বণ্টনে কিছু অসুবিধা আছে। যাদের সঙ্গে আমাদের অসুবিধা আছে, তাদের সঙ্গে বসে এই সমস্যার সমাধান করতে চাই। যাতে আমার দেশের মানুষ তার পানির ন্যায্য হিসাব পেতে পারে।’

প্রবাসীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আরও অ্যাকটিভ করা হবে। যাতে আমাদের যে প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী বিদেশে আছেন, তারা যেন আরও ভালো সেবা পান। আমাদের বিভিন্ন দূতাবাসগুলোকে আধুনিক ও অ্যাকটিভ করতে চাই।’

বিদেশে নতুন বাজার অনুসন্ধান, সীমান্ত নিরাপত্তা, উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করা, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারত্ব বৃদ্ধি, সফট পাওয়ার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে গুরুত্ব প্রদান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানো, অর্থনৈতিক কূটনীতিতে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরা হয় ইশতেহারে।

ইশতেহার অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad