বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটেন, নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতরা পৃথক বৈঠক করেছেন।
শনিবার বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথমে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি, পরে ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি এবং সন্ধ্যায় ব্রিটেনের হাইকমিশনার সারাহ কুক তারেক রহমানের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠকে বসেন।
বৈঠকগুলোতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন এবং দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় দেড় দশক লন্ডনে ছিলেন তারেক রহমান। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর এটি ব্রিটেনের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ।
বৈঠকের পর হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার, নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূত আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন। এই সব সাক্ষাৎ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
তিন দেশের রাষ্ট্রদূতরা তাদের সরকারের মত, তাদের ভিউজ এক্সচেঞ্জ করেছেন। তারেক রহমানের দেশে আসা এবং আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে উনার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো নিয়ে রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। কীভাবে সম্পর্ক উন্নয়ন করা যায়, কীভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা তারা করতে পারে সে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে, যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘২৫ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পরে তাকে (তারেক রহমান) ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত হাইকমিশনারদের সাক্ষাৎ দিচ্ছেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও তিনি তাদের সাক্ষাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।’
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান বলেছেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক করব, যেটা আমাদের মিউচুয়াল রেসপেক্ট ও ইন্টারেস্ট বজায় রাখবে। দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। কারণ, বিদেশিরা দেখছেন, তারেক রহমান জনপ্রিয়।’


