রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ঢাকাসহ সারাদেশে শুক্রবার (২১ নভেম্বর)। সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে আঘাত হানা এ কম্পনে এখন পর্যন্ত সারাদেশে মারা গেছেন ৫ জন, আহত হয়েছেন তিন শতাধিক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আতঙ্কিত অনেকেই তাদের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন অনেক শোবিজ তারকাও।
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন, তিনি আশা করেন সবাই নিরাপদে আছেন। চঞ্চল চৌধুরী মনে করিয়ে দিয়েছেন, কী ভয়ংকর ছিল সেই মুহূর্ত, আর সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। শায়ান চৌধুরী অর্ণব নিজের ভবনের ফাটা প্লাস্টারের ছবি দিয়ে জানান, কীভাবে ঝাঁকুনিতে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।
সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, এমন ভূমিকম্প তিনি আগে কখনো অনুভব করেননি। সামিরা খান মাহি জানান, তার বাসার সিসিটিভি দেখে মনে হয়েছে—বিড়ালগুলো আগেই টের পেয়েছিল কিছু একটা।
শুধু এ কয়েকজন নয়। সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল লিখেছেন, জীবনে এত বড় কম্পন এই প্রথম। অভিনেতা কচি খন্দকার বলেন, গভীর ঘুম থেকে তাকে সরাসরি ঝাঁকি মেরে তুলেছে ভূমিকম্প। সজল জানতে চান, “এটা কি ভূমিকম্প!” আর রওনক হাসানের ভাষায়, “ওরে ঝাঁকি!”
অভিনেতা রাশেদ মামুন অপুর অভিজ্ঞতা আরও তীব্র। তিনি লিখেছেন, সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল চারপাশ ভেঙে পড়ছে। দুই সন্তানের কথা মনে হতেই ছয়তলা ভবন দৌড়ে নেমে ছুটে গিয়েছেন ছেলের স্কুলে। পরে নিশ্চিত হয়েছেন, সবাই ভালো আছে।
জামিল হোসেন বলেন, এত বড় ঝাঁকুনি তিনি কখনো অনুভব করেননি। সামান্তা পারভেজ লিখেছেন, কেন্দ্রবিন্দু ছিল তার নিজ এলাকা নরসিংদীর ঘোড়াশাল। শিরোনামহীন ব্যান্ডের ভাষায়—আরও কয়েক সেকেন্ডেই অচেনা কিছু ঘটে যেতে পারত।
কুদ্দুস বয়াতি জানান, জীবনের সবচেয়ে বড় ঝাঁকুনি এটাই। অভিনেতা ফারুক আহমেদ বলেন, ১৪ তলার ৫ম তলায় বসে হঠাৎ মনে হয়েছে পুরো ভবন দুলছে, পাশের বিল্ডিং দোলনার মতো নড়ছে। মানুষের চিৎকার, দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে মুহূর্তটা ছিল বিভীষিকাময়।
অভিনেত্রী বর্ষা লিখেছেন, আল্লাহর রহমত ছাড়া আরও কয়েক সেকেন্ডে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে যেত। তার ভাষায়, এমন কোনো এক জুম্মাবারে সত্যিকারের সেই বড়দিন এসে যাবে।


