ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন এক শিক্ষার্থী। তার অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে অবৈধ দোকান ও হকার উচ্ছেদের অভিযান চলাকালে ‘মিথ্যা অভিযোগের’ ভিত্তিতে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন পরীক্ষার মাধ্যমে গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছে প্রক্টরিয়াল টিম।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম আবির হাসান। তিনি ঢাবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।
আবির জানান, ক্যাম্পাসে ফেরার পথে তিনি প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমের একজন সদস্যের কাছে প্রক্টরিয়াল টিমের কার্যক্রমের সমালোচনা করেন। এ নিয়ে দুজনের বাদানুবাদ হয়।
‘পরে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমের সদস্যরা আমাকে প্রক্টরের অফিসে নিয়ে যায় এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে।’, বলেন আবির।
তিনি আরও বলেন, ‘সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আজ একজন প্রক্টর আধঘণ্টা ধরে আমার ব্যক্তিগত ফোন পরীক্ষা করেছেন। তিনি আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন।’
আবিরের দাবি অনুযায়ী, সহকারী প্রক্টর ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং ড. কে. এম. আজম চৌধুরী দুজনই তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করেছেন।
আবিরের ফোন পরীক্ষার সময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের। তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘কিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দুই সহকারী প্রক্টর তার ফোন পরীক্ষা করেন।’
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি আবিরের আচরণ ‘সন্দেহজনক’ বলে মনে করেছিলেন। আর সে কারণেই তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করেছেন।
এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


