বিকাল ০৪:৪১
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল রাইটস অ্যাকটিভিস্ট মার্টিন লুথার কিংয়ের মতো ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।
তিনি বলেন, ‘মার্টিন লুথার কিং বলেছিলেন, আই হ্যাভ এ ড্রিম। আজ আমি বাংলাদেশের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। পরে অবশ্য মঞ্চ থেকে নামার আগে তিনি তার বক্তব্যকে একটু সংশোধন করে সবার উদ্দেশে বলেন, ‘উই হ্যাভ এ প্ল্যান’।
তারেক রহমান বলেন, এই পরিকল্পনা মূলত দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি দেশবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ও ঐক্য কামনা করেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়া এখন সময়ের দাবি।
তিনি উল্লেখ করেন, কৃষাণ-কিষাণি, শ্রমিক, গৃহবধূ এবং মাদ্রাসার ছাত্রসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে এই দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। এখন সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
বৃহস্পতিবার এক তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘এই দেশে যেমন পাহাড়ি মানুষ আছে, তেমনি সমতলের মানুষও আছে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান–আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ব, যা স্বপ্ন দেখেন একজন মা।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই যেখানে নারী, শিশু এবং সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে চলাচল করতে পারবে এবং দিনশেষে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে।’
দেশের বিশাল জনশক্তিকে উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দেশে ৪ কোটির বেশি তরুণ, ৫ কোটি শিশু এবং কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। প্রায় ৪০ লক্ষ প্রতিবন্ধী মানুষেরও রাষ্ট্রের কাছে বিশেষ প্রত্যাশা রয়েছে।
তিনি তরুণ প্রজন্মকে আগামী দিনের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান এবং বলেন, তরুণরাই হবে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ভিত্তির কারিগর।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধৈর্য ধারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচররা এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমাদের যে কোনো মূল্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে।’
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন যেন কোনো উসকানির মুখে তারা উত্তেজিত না হয়ে ধৈর্য ও শান্তির পরিচয় দেন। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা দেশে শান্তি চাই।’
ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে তারা নবী করীম (সা.) প্রদর্শিত ন্যায়পরায়ণতার পথ অনুসরণ করবেন।
এ ছাড়া তিনি তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন এবং ২৪-এর আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিসহ সব শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যের শেষে তিনি ধর্ম-বর্ণ-দল নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান।
বিকাল ০৪:১০
আই হ্যাভ এ প্ল্যান: তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে মার্টিন লুথার কিংয়ের মতো ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ আছে।
তিনশ ফিটের সংবর্ধনা স্থলে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মার্টিন লুথার কিং বলেছিলেন, “আই হ্যাভ এ ড্রিম”। আজ আমি বাংলাদেশের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।’
তিনি যোগ করেন, ‘আপনাদের সমর্থন থাকলে আমরা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন তাহলে এই প্ল্যান (পরিকল্পনা) বাস্তবায়ন করতে আমরা সমর্থ হব।’
তিনি বলেন, যেকোনও মূল্যে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। দেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে করব কাজ। গড়ব সোনার বাংলাদেশ।’
পরে মঞ্চ থেকে থেকে নেমে যাওয়ার সময় আবার ফিরে তিনি বলেন, ‘উই হ্যাভ এ প্ল্যান।’
বিকাল ০৩:৫০
তিনশ ফিটে তারেক রহমান
তিনশ ফিটের সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছেন তারেক রহমান। বুলেট প্রুফ লাল বাসে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি।
এ সময় উত্তাল জনস্রোত মুহুর্মুহু করতালি ও স্লোগানে তাকে স্বাগত জানায়। সমাবেশস্থলে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগ দেন বিএনপির শীর্ষ নেতাকর্মীরা।

বিকাল ০৩:১৭
এভারকেয়ারের সামনে বাড়তি নিরাপত্তা
তিনশ ফিটে সংবর্ধনা স্থলে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য শেষে গুলশানের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তারেক রহমান।
সেজন্য এভারকেয়ার হাসপাতাল ঘিরেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। হাসপাতালের বাইরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক উপস্থিতি দেখা যায়।

বিকাল ০৩:১০
জনস্রোত ঠেলে এগোচ্ছে তারেক রহমানের গাড়িবহর
নেতাকর্মীদের তীব্র ভিড় ঠেলে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে তারেক রহমানের গাড়িবহর। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান।
সেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সেরে তিনশ ফিটের সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। নেতাকর্মীদের ভিড়ে এ পথ পাড়ি দিতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এসময় লাল-সবুজ রঙের বাসের সামনে দিকে বসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়ান বিএনপির এই নেতা।

দুপুর ০১:১০
গুলশানের বাড়িতে জুবাইদা ও জাইমা
বিমানবন্দর থেকে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছেছেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
দুপুর ১২:৪৪
প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ দিলেন তারেক রহমান
বিমানবন্দরে নেমেই প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রকম আয়োজনের জন্য আমার ও আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে আমার নিরাপত্তায় সব রকম আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ।’
এসময় প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যের খোঁজখবরও নেন তিনি।

দুপুর ১২:৪০
খালি পায়ে মাতৃভূমি ছুঁলেন তারেক রহমান
ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমে খালি পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। বিএনপির ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে একথা জানানো হয়েছে।

দুপুর ১২:৩৩
লাল-সবুজ বাসে ৩০০ ফিটের পথে তারেক রহমান
লাল-সবুজ বাসে করে ৩০০ ফিটের সমাবেশস্থলের পথে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রেখে তিনি যাবেন গুলশানের এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন মাকে দেখতে।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে অনুষ্ঠানস্থলে নেওয়া হচ্ছে।

দুপুর ১২:১৫
বাংলাদেশে এল জেবু
তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে এসেছে তার পোষা বিড়াল জেবু। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পোষা প্রাণীর জন্য বিশেষ খাঁচায় আনা হয় জেবুকে।

বেলা ১১:৫৫
স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে নেতাকর্মীরা
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএনপির ভারভাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন দলের শীর্ষ নেতারা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এ সময় তারেক রহমান ও তার পরিবারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ অন্যরা।
এ ছাড়াও তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরাও তাদের বিমানবন্দরে স্বাগত জানান।

বেলা ১১:৪৪
ঢাকায় নামলেন তারেক রহমান
১৭ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে দেশের মাটিতে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
বিমানবন্দর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও মা খালেদা জিয়াকে দেখতে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান। পথে তিনশ ফিটে আয়োজিত সমাবেশে ভক্ত ও সমর্থকদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন তিনি।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে ১ ঘণ্টা অবস্থান শেষে বিমানটি আবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

বেলা ১১:১৫
ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছেড়েছে তারেকের বিমান
ঢাকার উদ্দেশে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়েছে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান। বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বিমানটির ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
বোয়িং ৭৮৭-৬ ড্রিমলাইনার এয়ারবাস পরিচালিত বিজি ২০২ ফ্লাইটে বিজনেস ক্লাসে দেশে ফিরছেন তিনি।
এর আগে, লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তারেককে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সেখানে নেমে ১ ঘণ্টা অবস্থান শেষে বিমানটি আবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সচিব আব্দুর রহমান সানি, দলের প্রেস উইংয়ের সালেহ শিবলী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কামাল উদ্দীন।
তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানের সবশেষ অবস্থান জানা যাবে এই লিংকে ক্লিক করলে।


