ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪১১ জন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৪১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ৪০৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬১, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৬ জন।
এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৯৯ জন, উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭০, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০, রাজশাহী বিভাগে ২১, রংপুরে দুই এবং সিলেট বিভাগে ছয়জন রয়েছেন।
মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আরেকজন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।
এ সময়ে ৪৬৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬৫৩ জন।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে নভেম্বর মাসে। ওই মাসে ১০৪ জনের প্রাণহানি হয় ডেঙ্গুতে।
তার আগে অক্টোবর মাসে ৮০ জন ও সেপ্টেম্বর মাসে ৭৬ জনের মৃত্যু হয়।
এ ছাড়া ডেঙ্গুতে আগস্ট মাসে ৩৯ জন, জুলাই মাসে ৪১, জুন মাসে ১৯, মে মাসে তিন, এপ্রিলে সাত, ফেব্রুয়ারিতে তিন ও জানুয়ারিতে ১০ জনের মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মারা যাননি।
অন্যদিকে ডেঙ্গুতে জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুন মাসে ৫ হাজার ৯৫১, আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
এ ছাড়াও সেপ্টেম্বরে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন এবং অক্টোবরে ২২ হাজার ৫২০ ও নভেম্বর মাসে ২৪ হাজার ৫৩৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এর মধ্যে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।


