গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত ৭৫৫ জন নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
নতুন করে প্রাণ হারানো একজনকে নিয়ে চলতি বছরে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৩ জনে। আর এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৭৭০ জন।
বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই হিসাব নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৮, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৮৭, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৮১, দক্ষিণ সিটিতে ৬৮, খুলনা বিভাগে ৫৮, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৪, রংপুর বিভাগে ৬ এবং সিলেট বিভাগে ২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় ৭১৬ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ৭৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৮৩৪ জন চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে ৬১ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ নারী।
চলতি বছরের মাসওয়ারি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১, জুলাইয়ে ১০ হাজার ৬৮৪, আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ এবং সেপ্টেম্বরে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ সময়ের মধ্যে জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯, জুলাইয়ে ৪১, আগস্টে ৩৯ এবং সেপ্টেম্বরে ৭৬ জন এ রোগে মারা গেছেন।
২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ শুরু করে সরকার। এর মধ্যে ২০২৩ সালে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায়। সে বছর ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের। পরের বছর ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জনে এবং প্রাণ হারান ৫৭৫ জন।


