নেত্রকোনার মদনে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
সোমবার আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নুরুল কবীর রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকই নবজাতকের বাবা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। অসুস্থতা ও শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরীক্ষা করে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে গত ২৩ এপ্রিল তার মা বাদী হয়ে মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালত রিমান্ড শেষে তার ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফ হোমে রাখা হয়। সেখানে ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।
পরে আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সিআইডি নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে। ওই পরীক্ষার প্রতিবেদনেই মাদ্রাসাশিক্ষককে নবজাতকের বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়।


