ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন, ভোট বন্ধ হাসিনার

ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন, ভোট বন্ধ হাসিনার
জুলাই অভ্যুত্থানের পর আঁকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রাফিতি। ছবি: জান্নাতুল ফেরদাউস/টাইমস
Advertisement
Advertisement

কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে ওই ব্যক্তি আর নির্বাচন করার যোগ্য হবেন না। জনপ্রতিনিধি পদে বহাল থাকার যোগ্যতাও হারাবেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে এই বিধান যুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার রাতে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (তৃতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছে।

এই নিয়ে এক বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো বদলানো হলো এ আইন। নতুন সংশোধনের ফলে গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩-এ ২০(সি) ধারা যুক্ত করা হয়েছে। নতুন সংযোজন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অধীনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল হলে তিনি সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচিত পদে প্রার্থী বা বহাল থাকার যোগ্য থাকবেন না।

এমনকি প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার বা অন্য কোনো সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ারও অযোগ্য হবেন তিনি। অবশ্য যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের রায়ে অব্যাহতি বা খালাস পান, তাহলে এই অযোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

নতুন এই সংশোধনের ফলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাবেন শেখ হাসিনা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। সেই ট্রাইব্যুনালেই শেখ হাসিনা এবং তার সহযোগীদের বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad