সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের ভাই এবং জেমকন গ্রুপের পরিচালক ও সিইও কাজী আনিস আহমেদের স্থাবর সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। পাশাপাশি কাজী আনিসের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, জব্দের আদেশপ্রাপ্ত স্থাবর সম্পদের মূল্য ৭ কোটি ২০ লাখ ৭২ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৮৪ কোটি ৮৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
আবেদনে আরও বলা হয়, কাজী আনিস আহমেদ সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তিস্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।
তিনি অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৮০ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন। এ অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।
এ ছাড়া কাজী আনিস, তার যৌথ হিসাব এবং তার প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত মোট ২০টি ব্যাংক হিসাবে ৪০ কোটি ৬৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৫১ টাকা জমা এবং ৩৮ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ৩০৪ টাকা তোলার তথ্য পাওয়া গেছে। তার ব্যবসায় যে পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগ রয়েছে, তার তুলনায় এসব লেনদেন অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক বলে মনে করছে দুদক। তার এসব অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়, যা আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ জব্দ ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।


