চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার কুয়াইশ চালিতাতলী এলাকায় ফের গুলির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে মো. ইদ্রিস আলী (৩৭) নামে এক অটোরিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন।
আহত ইদ্রিস আলী নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালে কর্মরত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এদিন দুপুরে চালিতাতলী এলাকায় অটোরিকশা চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা ইদ্রিস আলীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তিনি হাঁটুতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার হাঁটুর নিচে গুলি লেগেছে, তবে অবস্থা স্থিতিশীল।
এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় একই এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ। তার নির্বাচনী গণসংযোগে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে নিহত হন সরওয়ার হোসেন বাবলা (৩৫)। এরশাদ উল্লাহ বর্তমানে নগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সরোয়ার একজন চিহ্নিত ‘সন্ত্রাসী’। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, হত্যাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সরওয়ারের সঙ্গে ‘সন্ত্রাসী’ ছোট সাজ্জাদের বিরোধ ছিল। পুলিশের ধারণা, এ বিরোধের জেরে সরোয়ারকে গুলি করা হয়।
এর আগেও গত ৩০ মার্চ নগরের বাকলিয়া অ্যাকসেস রোড এলাকায় সরওয়ারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন তার প্রাইভেটকারে গুলি চালিয়ে বখতেয়ার হোসেন মানিক ও মো. আব্দুল্লাহ নামে দুজনকে হত্যা করা হয়। সরওয়ার সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।
পরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের জবানবন্দিতে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছোট সাজ্জাদের নির্দেশেই সরওয়ারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।


