আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতাকে সামনে রেখে বিশেষ বিতর্ক অনুষ্ঠান ও প্রতীকী গণভোটের আয়োজন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এতে অংশ নেওয়া ভোটারদের ৮৫ শতাংশ রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অর্থনীতি বিভাগের বিতর্ক সংগঠন ডিবেটিং সোসাইটি অব ইকোনমিকস (ডিএসই) ‘আগামীর রাজনীতি: ডিএসই বিশেষ বিতর্ক ২০২৬’ শীর্ষক এই আয়োজন করে।
প্রতীকী গণভোটে চার শতাধিক ভোটার অংশ নেন। ফলাফলে দেখা যায়, ৮৫ শতাংশ ভোট ‘হ্যাঁ’, ১০ শতাংশ ‘না’ এবং পাঁচ শতাংশ ভোট বাতিল হয়।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে ‘এই সংসদ মনে করে, আসন্ন গণভোট বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আশানুরূপ পরিবর্তন আনবে’- প্রস্তাবের ওপর উন্মুক্ত নির্বাচনী বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার।
বিতর্কে সরকার দলের পক্ষে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. খো. লুৎফুল এলাহী, টি এম মাজহারুল ইসলাম ও সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টি বক্তব্য দেন। বিরোধী দলে ছিলেন অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মি, অর্থনীতি বিশ্লেষক নূর ই আলম এবং গবেষক ইসরাত শারমিন স্বর্ণা।
এ ছাড়া ‘২৬-এর নির্বাচন: প্রত্যাশা’ শীর্ষক ভিডিও বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় প্রথম হন ফাহমিদা সুলতানা তামান্না (জাবি)। দ্বিতীয় হন লুতফুন নাহার তরী এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন ঢাকা কলেজের তৌফিকুর রহমান।


