শত্রুপক্ষ ‘চূড়ান্ত আত্মসমর্পণ’ না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ার করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। তাদের দাবি, ইরানের প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনো কিছুই জানেনা।
পেন্টাগন ও আইডিএফকে উদ্দেশ্য করে ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সামরিক সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম সম্পর্কে আপনাদের তথ্য অসম্পূর্ণ। আমাদের বিস্তৃত ও কৌশলগত সক্ষমতা সম্পর্কে আপনারা কিছুই জানেন না। আপনারা ধারণাও করতে পারেন না আমরা নিজেদের রক্ষায় কতদূর যেতে পারি।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, ‘আপনারা এ আশা করবেন না যে আমাদের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক ও নির্ভুল ড্রোন, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা এবং বিশেষ সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করে ফেলেছেন। আপনারা কেবল ততটুকুই ধ্বংস করেছেন যতটুকু আমরা দেখিয়েছি।’
শীর্ষ এই সামরিক কর্মকর্তার দাবি, ইরানের কৌশলগত সামরিক উৎপাদন এমন সব স্থানে হয়, যেগুলোর সম্পর্কে শত্রুপক্ষের কোনো ধারণা নেই এবং তারা কখনো সেখানে পৌঁছাতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেসব স্থাপনায় হামলা হয়েছে, সেগুলো ‘তুচ্ছ’ স্থান। চাইলে এগুলোকে ডামি কারখানাও বলতে পারেন।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণে সময়ক্ষেপণ করা হলে এবং আগ্রাসন অব্যাহত রাখলে মার্কিন এবং ইসরায়েলি স্থাপনায় সামনে আরও ‘বিধ্বংসী, বিস্তৃত ও কঠোর’ হামলা চালানো হবে। এসব হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা


