মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক জাহাজ ও সেনা মোতায়েনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতেই সাধারণ জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করছে ইরান।
রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জানফাদা’ কর্মসূচির আওতায় বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোববার তেহরানের তিনটি সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
অবশ্য ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গারর্ড করপসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাধারণ নাগরিকদের প্রস্তুতি বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম ওয়েস্ট এশিয়া নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়, সেনাবাহিনীর স্থল, বিমান, নৌ ও আকাশ প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেবেন।
জানফাদা কর্মসূচির প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিভাগের উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আরিয়ান নেজাদ জানিয়েছেন, প্রথমে স্বেচ্ছাসেবকদের মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরপর ধাপে ধাপে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এ কর্মসূচির জন্য সেনাবাহিনীর তিনটি বড় প্রশিক্ষণকেন্দ্র বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তেহরান।
জানফাদা শব্দের অর্থ ‘জীবন উৎসর্গকারী’। গত সেপ্টেম্বরে রাজধানী তেহরানে এ কর্মসূচির প্রথম প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু হয়। আইআরজিসি ও বাসিজ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণকেন্দ্রটিতে সামরিক প্রস্তুতি, স্থানীয় নিরাপত্তা, উদ্ধারকাজ, নজরদারিসহ অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।


