পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রান্সিস হালজেন।
আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি নির্ণয়ে অবদান এবং জ্যোতির্পদার্থীয় উৎসের উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য তাকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
মঙ্গলবার সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস তার নাম ঘোষণা করে।
বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন কণা পদার্থবিজ্ঞানী। তার জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৩ মার্চ বেলজিয়ামের তিয়েনে।
বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে কর্মরত আছেন।
নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটে বলা হয়, ফ্রান্সিস হালজেন জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণায় একেবারে নতুন একটি পথের ভিত্তি তৈরি করেছেন। তার ধারণা ছিল, দক্ষিণ মেরুর হিমবাহের বরফ ব্যবহার করে ‘নিউট্রিনো’ নামের রহস্যময় ও ক্ষুদ্র কণাগুলো শনাক্ত করা সম্ভব।
এই ধারণা থেকেই তৈরি হয় আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এর মাধ্যমে মহাবিশ্বের বহু দূরের অঞ্চল থেকে আসা নিউট্রিনো শনাক্ত করা এবং সেগুলোর উৎস অনুসরণ করা সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের তথ্যানুযায়ী, ১৯০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞানে এ পর্যন্ত ১২০ বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে মোট ২৩১ জন এই পুরস্কার অর্জন করেছেন।
আরও পড়ুন: চিকিৎসায় নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
এ পর্যন্ত পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীদের মধ্যে জন বারডিন একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে দুবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন- ১৯৫৬ ও ১৯৭২ সালে।
সে হিসাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তির প্রকৃত সংখ্যা ২৩০।
১৯০১ সালে ভিলহেল্ম কনরাড রন্টগেন প্রথমবারের মতো পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল জেতেন। তার নামে নামকরণ করা অনবদ্য রশ্মি আবিষ্কারের কৃতিত্ব স্বরূপ তাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।


