তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েস, দেশের সেরা ওপেনিং জুটিগুলোর একটি। বিশেষত টেস্ট ক্রিকেটে ওপেনিংয়ে এই জুটির চেয়ে বেশি রান করতে পারেননি বাংলাদেশের আর কেউই। টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩১২ রানের জুটির রেকর্ড এখনো এই দুজনের দখলে। মাঠের ব্যাটিং পার্টনার তামিমকে এবার বিসিবির এডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দেখে রীতিমতো এক সাবধানী বার্তাই দিলেন কায়েস।
স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়াতে মঙ্গলবার বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তামিমকে প্রধান করে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দায়িত্ব বুঝে নিতে বিসিবি কার্যালয়েও এসেছিলেন তামিম, বাকি সদস্যদের সাথে করেছেন বৈঠকও।
এর আগে নিজের ফেসবুক পেইজে দেয়া এক পোস্টে তামিমকে অভিনন্দন জানিয়ে ইমরুল লেখেন, ‘দোস্ত আশেপাশের চাটুকার মানুষের থেকে সাবধানে থাকিস। অভিনন্দন।’
যদিও আপাতত তিন মাসের জন্য বিসিবির দায়িত্বে থাকবেন তামিম ও এডহক কমিটির বাকি সদস্যরা। যাদের মূল দায়িত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পর্ষদের হাতে বোর্ড হস্তান্তর করা। অবশ্য আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইতোমধ্যে।
যদিও জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার গঠনতন্ত্রে এডহক কমিটির সদস্যের নির্বাচনে অংশগ্রহণের নিয়ম নেই। সেক্ষেত্রে নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করে তারা প্রার্থী হন। কিন্তু ফেডারেশন কিংবা বোর্ডের নির্বাচনে এডহক কমিটির সদস্যদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই।এনএসসির আইনেও সেটার যথাযথ উল্লেখ নেই। তামিমদের ক্ষেত্রেও সেই হিসেবে আইনগত বাধা থাকছে না, কারণ ২০১২ সালে এনএসসি মনোনীত এডহক কমিটিতে থেকেও সভাপতি হয়েছিলেন নাজমুল হাসান পাপন।