চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকির মনোনয়নপত্রে প্রয়োজনীয় এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের মধ্যে একজন মৃত ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে। ফলে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
একই সঙ্গে নানা অনিয়মের কারণে আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকির মনোনয়নপত্রে দাখিল করা ভোটারদের স্বাক্ষরের তালিকায় একজন মৃত ব্যক্তির নাম ও স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার পর তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। অপরদিকে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. এরশাদ উল্ল্যা নিজেই নিজের প্রস্তাবকারী হওয়ায় নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল-রেজি-৪০) শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এ কে এম আবু ইউসুফ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী রোববারের পরবর্তী চারদিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
এর আগে, চট্টগ্রাম-১ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দেন ১০ জন।


