বাংলাদেশের বন্দর ও মেরিটাইম লজিস্টিকস খাতের ডিজিটালাইজেশন, দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএএ) সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্বব্যাংকের একটি মিশন।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিএসএএ সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বন্দর ও সামুদ্রিক সরবরাহ শৃঙ্খল আধুনিকায়নের সংস্কার বিষয়ে মতামত বিনিময় করেন শিপিং শিল্প ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা।
বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন সিনিয়র ট্রান্সপোর্ট স্পেশালিস্ট নুসরাত নাহিদ বাবি। প্রতিনিধিদলে ডিজিটাল পোর্টস অ্যান্ড মেরিটাইম ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্যাসকেল ওলিভিয়ারসহ অন্য মেরিটাইম লজিস্টিকস কনসালট্যান্টরা ছিলেন।
বিএসএএ চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, উপদেষ্টা, সাবেক পরিচালকসহ শীর্ষস্থানীয় শিপিং ও লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বিএসএএ প্রতিনিধিরা এই খাতের বেশ কিছু পরিচালনগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে বন্দরের যানজট, নথিপত্র ডিজিটালাইজেশন, জাহাজের ছাড়পত্র প্রক্রিয়া, সরকারি সংস্থাগুলোর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের একীকরণ, বন্দরের অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা।
অংশগ্রহণকারীরা বিপজ্জনক পণ্য (‘ডিজি’) কার্গো ঘোষণার ব্যবস্থাপনা, বন্দর স্টোরেজ চার্জ, পরিচালন দক্ষতা, জাহাজের অনুমোদনের প্রক্রিয়াগত উন্নয়ন ও নতুন বন্দর ট্যারিফ বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা করেন।
বিএসএএ জানায়, বাংলাদেশের সামুদ্রিক ও বন্দর খাতের আধুনিকায়ন ও টেকসই উন্নয়নে অংশীজনদের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগের ওপর উভয় পক্ষ জোর দিয়েছে।
ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে বৈঠকটি শেষ হয়। উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার সুবিধার্থে সফরকারী বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে বিএসএএ।


