চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে সেনাবাহিনীর আটটি টিম হাইকমিশন ও সংলগ্ন জাকির হোসেন রোডে অবস্থান নেয়। সড়কের দুই পাশে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।
নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছেন।
ব্যারিকেডের কারণে জাকির হোসেন রোডসহ আশপাশের এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। কাউকে ওই এলাকায় জটলা করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ‘ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে ১৫–২০ জন তরুণ প্রথমে সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়।
এর প্রায় আধঘণ্টা পর মিছিল নিয়ে এসে আরেক দল বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তখন পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে ও লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ১২ জনকে আটক করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং হাই কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার বাসভবনে ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা বাসভবন লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


