কর ফাঁকির অভিযোগে মহাখালীর খাজা টাওয়ারসহ পাঁচটি বহুতল ভবনের মালিক এস এম আব্দুল হক ভুঁইয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এই পাঁচটি ভবন থেকে তিনি প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকার বেশি ভাড়া আদায় করেন। কিন্তু কর দেওয়ার সময় এই আয়ের বড় একটি অংশ গোপন করেন বলে অভিযোগ এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের। তাদের মতে, এই ব্যক্তি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৪ কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়েছেন।
আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কমিশনার আবদুর রাকিব টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর আব্দুল হকের আবেদন করা ২০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রসিদও ব্লক করা হয়েছে। ফলে তিনি সেখান থেকেও অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর করতে পারবেন না।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, আব্দুল হক ভুঁইয়া খাজা টাওয়ার থেকে প্রতি মাসে ৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, কাদেরিয়া টাওয়ার থেকে ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, খাজা প্যালেস থেকে ৩ দশমিক ৪৭ কোটি টাকা এবং হক টাওয়ার থেকে ৯২ লাখ টাকা ভাড়া পান। এর মধ্যে খাজা মহল নামে একটি ভবনে তিনি থাকেন বলে জানিয়েছেন।
এসব বাড়ির অবস্থান ঢাকার মহাখালী, বনানী এবং গুলশান এলাকায়।
এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কমিশনার আবদুর রাকিব বলেন, ‘প্রতিটি ভবনের মালিককেই নিয়মিত আয়কর পরিশোধ করতে হয়। যারা এটি মেনে চলবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি আমাদের প্রথম পদক্ষেপ।’
বিপুল অংকের কর ফাঁকি দেওয়ায় ২০২৩ সালের আয়কর আইনের ২২৩ ধারা অনুযায়ী আব্দুল হকের সমস্ত চলমান, সঞ্চয়ী এবং ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ, স্থগিত বা সীমাবদ্ধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।


