কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ মাজারে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও ‘পীর’ শামীম হত্যা, শাহবাগে ‘সমকামীদের’ ওপর হামলা এবং সারাদেশে মবসন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাম সংগঠনগুলো।
শনিবার রাতে বিক্ষোভ মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বর থেকে শুরু হয়ে ভিসি চত্বর পদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ সময় তারা ‘শাহবাগে হামলা কেন? বিএনপি জবাব চাই’, ‘মব সন্ত্রাস হয়নি শেষ, গর্জে উঠো বাংলাদেশ’, ‘মাজারে হামলা কেন? বিএনপি জবাব চাই’, সুফি-ইমাম খুন কেন? বিএনপি জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমাল্লার বসু বলেন, ‘দেশের সকলের নাগরিক অধিকার রয়েছে এবং প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তবে ‘জঙ্গিদেরকে’ অন্য কিছু বলে অভিহিত করার দিন শেষ। জঙ্গিদেরকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করতে পারতে হবে এবং রাষ্ট্রের জঙ্গিদেরকে জঙ্গিদের মতন করেই দমন করতে পারতে হবে। বিএনপি সরকার যেই আগুন দিয়ে খেলছেন এই আগুন নিয়ে খেলার ফলাফল ভালো হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে যে ঘটনা ঘটেছে তার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল শাহবাগে যে ঘটনা ঘটেছে তার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যে বিচারের কথা আমরা বলছি অবিলম্বে সে বিচার হতে হবে। না হলে রাজপথে ইন্টারিমের বিরুদ্ধে আমাদের যে অবস্থান বিএনপির বিরুদ্ধেও অবস্থান তার চেয়েও কঠিন হয়ে উঠবে।’
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সাধারণ সম্পাদক জাবির আহাম্মেদ জুবেল বলেন, ‘গতকাল এবং আজকের যে মব সন্ত্রাস দেখলাম, সেই মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সালাউদ্দিন আহমেদকে হুঙ্কার দিতে দেখব না। কিন্তু আমরা দেখেছিলাম নির্বাচনের পরপরই সালাউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন দেশ থেকে মব সন্ত্রাসের বিলুপ্তি ঘটবে। জামায়াতে ইসলাম এবং বিএনপি, একটা সরকারি দল একটা বিরোধী দল পুরা মিলেমিশে একটা গৃহপালিত সংসদ তৈরি করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের ন্যূনতম চাওয়া যে একটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। একই সাথে শাহবাগে গতকাল যারা হামলা চালিয়েছিল তারা সবাই চিহ্নিত। এদের একটা বড় অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্র মজলিসের সঙ্গে জড়িত। তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসুন।’


