কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেয়। এর ফলে তিনি ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং আদালতের এই আদেশ বলবৎ থাকা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন বিভূতি তরফদার।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে ৮৮ কোটি ঋণ নিয়েছিলেন, যা পরিশোধ করেননি। এর ফলে তার নাম ঋণ খেলাপির তালিকায় ওঠে। এর বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী মুন্সী হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেয়। পরে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করলে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে। এখন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
এর আগে ৩ জানুয়ারি কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এরমধ্যে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও অন্যতম। সম্প্রতি ঋণখেলাপির তালিকায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম উঠে আসে।
ওই আসনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।


