চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ২৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে।
রোববার ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের’ কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস আবেদন দাখিল করেন। তার আবেদনে কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করে তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে।
তালিকায় থাকা অন্যরা হলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, মাহিয়া মাহি, নিপুণ আক্তার, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, পিয়া জান্নাতুল, শামীমা তুষ্টি, আশনা হাবীব ভাবনা, মারিয়া কিসপট্টা, শান্তা ফারজানা, অভিনেতা সাজু খাদেম, হিরো আলম, সাইমন সাদিক, সুজাতা আজিম, জায়েদ খান, আজিজুল হাকিম, চন্দন রেজা, আসাদুজ্জামান নূর, মেহেদী এবং সাংবাদিক সোমা ইসলাম ও আনিস আলমগীর।
অভিযোগে বলা হয়, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এসব ব্যক্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যায় প্ররোচনা, সহযোগিতা, উসকানি বা সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত রয়েছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্তের স্বার্থে এ অভিযোগ দাখিল করেছি।
এ বিষয়ে আয়াস সাংবাদিকদের বলেন, বরাবরের মতোই জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করছেন শান্তা ফারজানা, মোমিন মেহেদীসহ বেশ কিছু তারকা। অথচ ৫ আগস্টের দিনই হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের পতন হয়েছিল। আগামীতে আওয়ামী লীগ কোনোভাবে ফিরবে না।
রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের আরেকটি আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য ভূমিকা তদন্তের দাবি জানানো হয়।


