রাজবাড়ীতে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন। আসামি বর্তমানে পলাতক।
দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের পাকালিয়া গ্রামের মৃত মকছেদ ফকিরের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর রাতে এবং একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাতে শহিদুল ইসলাম তার মেয়ের শয়নকক্ষে ঢুকে ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া এর আগে প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন সময় তিনি মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি বালিয়াকান্দি থানায় শহিদুল ইসলামকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, স্বামীর এমন ঘৃণ্য কাজে বাধা দিলে তাকে ও তার মেয়েকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতো। বাধ্য হয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি মামলা দায়ের করেন।
সরকারি কৌঁসুলি জাহিদ উদ্দিন মোল্লা রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মেয়েকে ধর্ষণের এ মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। এই রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।


