কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টিতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা। জিইসি মোড়, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তন মোড়ে হাঁটুসমান পানি জমেছে। ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে নগরীর নিচু এলাকায়। কোথাও কোথাও পানি জমে রাস্তা ও ফুটপাত একাকার হয়ে গেছে। এতে চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, খাল-নালা ভরাট, অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং ময়লা-আবর্জনায় ড্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করছে।
এদিকে বৃষ্টির কারণে সড়কে গণপরিবহন কমে গেছে। এতে স্বল্প দূরত্বেও রিকশাভাড়া বেড়েছে। পাশাপাশি রাস্তা উপচে ফুটপাতেও পানি ওঠায় বাড়তি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পথচারীরা।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বজ্রমেঘের সক্রিয়তার কারণেই এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিভাগে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য বিরাজ করছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে।


