রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠ এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠের পাশে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্বজনরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বোন শারমীন আক্তার জানান, মোহাম্মদ বিবাহিত এবং তার চার বছর বয়সি একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠের পাশেই একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তার স্ত্রী শ্যামলী সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে শরীয়তপুর আছেন। মোহাম্মদ কামরাঙ্গীরচরে অনলাইনে পাঞ্জাবির ব্যবসা করতেন।
তিনি আরও জানান, তাদের বাসার পাশেই থাকেন মোহাম্মদের স্ত্রীর বড় বোন সোনিয়া, তার স্বামী কাউছার ও শ্যালক মুজাহিদ। গত শুক্রবার মোহাম্মদের সঙ্গে একটি মেয়েকে দেখতে পান সোনিয়া। এই বিষয় নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকদের সঙ্গে মোহাম্মদের ঝগড়া হয়।
সোমবার রাতেও এসব বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সোনিয়া, তার স্বামী ও শ্যালক মিলে মোহাম্মদকে মারধর করেন। ঝগড়ার একপর্যায়ে কাউছার মোহাম্মদের পিঠে কয়েকটি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য কামরাঙ্গীরচর থানায় জানানো হয়েছে।
নিহত মোহাম্মদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায়। তার বাবার নাম মো. আলাউদ্দিন।


