কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও, ইন্দুরহাট-জিলবাড়ি সড়কে ভোগান্তি চরমে

কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও, ইন্দুরহাট-জিলবাড়ি সড়কে ভোগান্তি চরমে
ইন্দুরহাট-জিলবাড়ি সড়ক। পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় | ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ইন্দুরহাট-জিলবাড়ি সড়কের কাজ প্রায় তিন বছর ধরে বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ। সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দীন মহারাজের ভাই ও ‘ইফতি ইটিসিএল’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে থাকায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলার যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির ২ কিলোমিটার অংশ ও কালভার্ট নির্মাণের কার্যাদেশ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যের এই কাজটি ২০২৪ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৪০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

দীর্ঘদিন কাজ ফেলে রাখায় সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী। স্থানীয় বাসিন্দা সুলাইমান শেখ জানান, রাস্তার দুরবস্থার কারণে বিকল্প পথে চলতে গিয়ে এলাকাবাসীর আর্থিক ক্ষতি ও সময়ের অপচয় হচ্ছে।

আরেক বাসিন্দা সঞ্জয় কর্মকার বলেন, ‘রাস্তাটি এতটাই খারাপ যে অটোচালকরা নিজেদের টাকায় কয়েকবার মেরামত করেছেন। অসুস্থদের হাসপাতালে নিতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।’

অভিযোগ রয়েছে, মিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের নামে থাকা আটটি লাইসেন্সের বিপরীতে এলজিইডির অধিকাংশ কাজ না করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মিরাজুল ইসলাম পলাতক থাকায় নেছারাবাদ উপজেলার এলজিইডির বেশিরভাগ উন্নয়ন কাজ এখন স্থবির হয়ে আছে।

এ বিষয়ে এলজিইডির স্থানীয় কর্মকর্তারা কথা বলতে রাজি হননি। তবে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানান, টেন্ডার হওয়ার পরও দুর্নীতির মাধ্যমে ঠিকাদার টাকা তুলে নেওয়ায় কাজগুলো শেষ হয়নি। রাস্তাগুলো পুনরায় সংস্কারের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad