গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে কলম্বিয়ায়। ৭ দশমিক ৪ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পে এরই মধ্যে ৪৭ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। তার মধ্যে অন্তত তিনজন শিশু।
কলম্বিয়ান জিওলজিক্যাল সার্ভিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক তথ্যে জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর আরও দুইবার তীব্র আফটারশক অনুভূত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২ দশমিক ৮ ও ৪ দশমিক ৮ মাত্রার দুটি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, কালি শহরের মেয়র আলেহান্দ্রো এদের জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে শহরটিতে অন্তত ২০টি ভবন ধসে পড়েছে। ধসে পড়া ভবনগুলোর ভেতরে মানুষ আটকা পড়েছেন।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমারে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮২ কিলোমিটার গভীরে। জায়গাটি কালি ও মেদেলিন শহরের মাঝামাঝি অবস্থিত।
কলম্বিয়ার এই ভূমিকম্প প্রতিবেশী ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর ও পানামাতেও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ার অন্তত সাতটি বিমানবন্দরে কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অ্যারোনটিকা সিভিল জানিয়েছে, পেরেইরা, মানিসালেস, কুইবদো, আর্মেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেন্তুরা বিমানবন্দরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। নিরাপত্তার কারণে এসব বিমানবন্দরে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া পুরাসে আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের কারণে পোপায়ান বিমানবন্দরেও কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।


