বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা ১৭ আসনের বিএনপি নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আবদুস সালাম বলেছেন, কড়াইল বস্তি এলাকায় অনেক সমস্যা আছে। এখানে ঘিঞ্জি বসতি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অন্যায় অপরাধ বেশি পরিমাণে হয়। তার ওপর কিছুদিন পর পর আগুন লাগে। এই সমস্যাগুলো সমাধান এক মাত্র তারেক রহমানই ভরসা।
মঙ্গলবার ঢাকার বনানীর কড়াইল বস্তির বউবাজার এলাকায় মায়ের দোয়া বিদ্যানিকেতনের সামনে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাম বলেন, ‘ধানের শীষে ভোট দেওয়া মানে একজন প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দেওয়া। আপনারা কি চান না আপনাদের ভোটের মাধ্যমে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন? আপনাদের সন্তান। এই ক্যান্টনমেন্ট বনানী গুলশান এলাকায় তিনি বড় হয়েছেন। আপনারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দেখেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে দেখেছেন। এখন দেখবেন তারেক রহমানকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী হলে আপনাদেরকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন।’
তিনি বলেন, ‘এই কড়াইল বস্তি এলাকায় অনেক সমস্যা আছে। এখানে ঘিঞ্জি বসতি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অন্যায় অপরাধ বেশি পরিমাণে হয়। তার উপর কিছুদিন পর পর আগুন লাগে। এই সমস্যাগুলো সমাধান এখন আমাদের পক্ষে সম্ভব না। কারণ এখন প্রশাসনের কেউ আমাদের কথা শুনবে না। কারণ আমরা এখন সরকারে নেই। তবে তারেক রহমান নির্বাচিত হলে আমাদের কথা শুনতে বাধ্য হবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমান নির্বাচনী কার্যক্রমের শুরুতেই আপনাদের এলাকায় এসেছেন। আপনাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। মনোযোগ দিয়ে আপনাদের কথা শুনেছেন। তিনি বলেছেন তিনি আবাসিক সমস্যার সমাধান করবেন, ঘর বানিয়ে দিবেন, ফ্যামিলি কার্ড দিবেন। আপনাদের ও আপনার ছেলেমেয়েদের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবেন। আপনাদের ঘর যদি আপনাদেরই হয় তাহলে অন্যকে চাঁদা দিতে হবে না। ঘরভাড়াও দিতে হবে না। তখন আপনার অবস্থা আস্তে আস্তে উন্নতির দিকে যাবে।’
আবদুস সালাম বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠন করলে আপনাদের সঙ্গে কেউ এমন আচরণ করবে না যাতে আপনারা ক্ষতিগ্রস্ত হোন। কোনরকম চাঁদাবাজিও থাকবে না। সামান্য কয়েকজন দুষ্ট লোকের জন্য আমরা দুর্নাম কামাতে যাব না। যদি কেউ চাঁদাবাজি করে তাহলে তার স্থান হবে জেলখানায়। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি এই নির্বাচনী এলাকার দিকে সবচেয়ে বেশি নজর দিবেন।’


