জেন জি ও ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) নিয়ে কঙ্গনা রানাউতের মন্তব্যের পর পাল্টাপাল্টি আক্রমণ চলছেই।
সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাসকে ‘অকর্মণ্য’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপি সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। জেন–জি বিক্ষোভকারীদের নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্যের সমালোচনা করে রাজনীতিবিদদের ‘পদের মর্যাদা রক্ষার’ আহ্বান জানানোর পর সৌরভকে পাল্টা জবাব দেন তিনি।
ঘটনার শুরু কঙ্গনার কয়েকটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরি থেকে। সেখানে সিজেপির নেতৃত্বাধীন ছাত্রবিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন তরুণীকে তিনি ‘জেনারেশন গাটার’ বা ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে আখ্যা দেন। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘মাদক, মদ্যপান ও একাধিক যৌন সম্পর্ককে মহিমান্বিত করার’ অভিযোগও তোলেন তিনি। এর আগে বিক্ষোভের কিছু ভিডিওকে ‘বমি উদ্রেককারী’ বলেছিলেন কঙ্গনা।
কঙ্গনার মন্তব্যের জবাবে সৌরভ বলেন, তাকে তার নিজের দলই গুরুত্বের সঙ্গে নেয় না। তাই জেন–জি, জেন–আলফা বা অন্য কোনো তরুণ প্রজন্মও তাকে গুরুত্ব দেয় না কিংবা তার কথা শোনে না।
প্রথমবার সংসদ সদস্য হওয়ার পর কাজের চাপ নিয়ে কঙ্গনার করা আগের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন সৌরভ। ওই ভিডিওতে কঙ্গনা বলেছিলেন, তিনি ভেবেছিলেন সংসদ সদস্য হিসেবে অল্প কাজ করতে হবে, কিন্তু বাস্তবে অনেক কাজ করতে হয়।
সৌরভ বলেন, এ মন্তব্যেই কঙ্গনার গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বললেও নিজের মন্তব্যের মাধ্যমেই নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন।
কঙ্গনার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ব্যবহৃত ভাষারও সমালোচনা করেন সৌরভ। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের শব্দচয়নে দায়িত্বশীল হওয়া এবং নিজেদের পদের মর্যাদা রক্ষা করা উচিত।
তরুণ প্রজন্মের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে সৌরভ দাবি করেন, দেশের জন্য জেন–জি কঙ্গনার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করেছে এবং এখনো করছে। দেশের গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুজ্জীবিত করতেও জেন–জি ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এরপর সৌরভের এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকার নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে পাল্টা আক্রমণ করেন কঙ্গনা। সৌরভের বয়স ২৮ বছর উল্লেখ করে তিনি কীভাবে নিজেকে ছাত্র দাবি করেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
কঙ্গনা বলেন, তিনি মাত্র দুই বছর ধরে রাজনীতিতে থাকলেও ২০ বছর ধরে জনজীবনে আছেন। সৌরভের বয়সেই তিনি দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।


