বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে উন্নীত করার উদ্যোগ এবং জাতীয় এয়ার কানেকটিভিটি গ্রিড গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে এই সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ লজিস্টিকস ও যাত্রী হাবে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
এভিয়েশন খাতের আধুনিকায়নে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল শিগগির চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’
‘বিমানবন্দরটির প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার জায়গাজুড়ে ইতিমধ্যে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি যাত্রীসেবা ও কার্গো ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’
বাজেটে দেশের পর্যটন খাত নিয়েও বড় ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) পর্যটন খাতের অবদান বর্তমান অবস্থা থেকে বাড়িয়ে ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
তিনি জানান, একটি বৃহৎ পর্যটন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই খাতে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগ রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে।


