আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে কেবল গতি দিয়েই নজর কেড়েছেন তাসকিন আহমেদ। যদিও সময়ের সাথে নিজেকে আরো পরিণত করেছেন এই ডানহাতি পেসার। বোলিংয়ে এসেছে নিয়ন্ত্রণ, যুক্ত হয়েছে বৈচিত্র্য। সেই পথ ধরে নাহিদ রানাও এসেছেন জাতীয় দলে। তাসকিনের মতোই টানা বল করে যেতে পারেন ১৪০-১৪২ কিমি/ঘণ্টায়। যদিও এক্সপ্রেস পেসের কারণে টি-টোয়েন্টির মতো খেলাতে প্রচুর রান লিক হয়। অবশ্য সেসব বাস্তবতা মাথায় রেখে এই ডানহাতি পেসার বলছেন, তার মতো এক্সপ্রেস পেসাররাই ‘গেম চেঞ্জার’ হন।
বিপিএলের দ্বাদশ আসরকে সামনে রেখে রোববার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে রংপুর রাইডার্সের প্রথম দিনের অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন নাহিদ। আসন্ন বিপিএলে ডিউ ফ্যাক্টর, ছোট বাউন্ডারি, প্রতিপক্ষের মারকুটে ব্যাটারদের খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার সম্ভাবনা থাকলেও গতির সাথে আপস করতে চান না এই ডানহাতি পেসার।
২৬ ডিসেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া বিপিএলে নতুন কিছু চেষ্টা করবেন কিনা, জানতে চাইলে নাহিদ বলেন, ‘আসলে দেখেন, যারা এক্সট্রা পেসে বল করে, তারা হচ্ছে গেম চেঞ্জার। কখনো এসে দেখবেন যে এমন একটা ম্যাচ জিতায় দিছে যেটা আনএক্সপেক্টেড ছিল।’
মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখিয়ে নাহিদ আরো বলেন, ‘আবার এমনও সময় আসবে, দেখবেন যে ধরেন অনেক রান দিছে। তো যারা এক্সপ্রেস পেস, তাদের ধরেন ইকোনমিটা অনেক সময় হাই থাকে, আর আমি এই জিনিসটা কখনো ধরেন ভাবি না যে বাউন্ডারি ছোট কিংবা বড়, আমি শুধু বেসিকে থেকে বোলিংয়ের চেষ্টা করি।’
এক্সপ্রেস পেসের জন্য পরিচিতি থাকলেও অনুশীলনে স্লোয়ার আর ইয়র্কার করতে দেখা গেছে নাহিদকে। ভান্ডারে নিজের নতুন অস্ত্র যোগ করা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চেষ্টা করছিলাম পারফেক্ট ইয়র্কার আর স্লোয়ার করতে। কারণ টি-টোয়েন্টিতে এই জিনিসগুলো রপ্ত করতে সময় লাগে, তাই সময় নিয়ে সেসবই করার চেষ্টা করেছি।’


