একসঙ্গে প্রদর্শিত হবে ‘হাওয়া’ ও ‘রইদ’

একসঙ্গে প্রদর্শিত হবে ‘হাওয়া’ ও ‘রইদ’
'হাওয়া' ও 'রইদ'-এর পোস্টার। ছবি: কোলাজ
Advertisement
Advertisement

মেজবাউর রহমান সুমনের ‘হাওয়া’ ও ‘রইদ’ এবার একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা। শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে দেশের স্টার সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় সিনেমা দুটি প্রদর্শিত হবে।

মাত্র দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেই দেশ-বিদেশের দর্শক ও সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন। তার নির্মিত দুই সিনেমার একযোগে প্রদর্শনের খবর ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। একই নির্মাতার দুটি ভিন্ন স্বাদের চলচ্চিত্র একসঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের ঘটনা দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে খুব একটা দেখা যায় না।

২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হাওয়া’ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন এক জাগরণ সৃষ্টি করেছিল। করোনা-পরবর্তী সময়ে যখন দেশের সিনেমা হলগুলো দর্শক সংকটে ভুগছিল, তখন এই সিনেমা দর্শকদের আবারও প্রেক্ষাগৃহমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

লোককথা, রহস্য, সমুদ্রজীবন ও মানবিক প্রবৃত্তির মিশেলে নির্মিত ‘হাওয়া’ মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। সিনেমাটির নির্মাণশৈলী, চিত্রগ্রহণ, সংগীত এবং অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। পাশাপাশি ‘সাদা সাদা কালা কালা’, ‘আটটা বাজে দেরি করিস না’ ও ‘এ হাওয়া’ গানগুলোও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রশংসিত হয় ‘হাওয়া’। বিশ্বের নানা দেশে প্রদর্শিত হয়ে সিনেমাটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে নতুনভাবে পরিচিত করে তোলে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে, চলতি বছরের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘রইদ’ মুক্তির পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রচলিত প্রেমের গল্পকে ভিন্ন ভাষা, চিত্রভাষা ও নির্মাণশৈলীতে উপস্থাপন করায় সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সিনেমাটির প্রতীকী উপস্থাপন, আবহ, চরিত্র নির্মাণ এবং ভিজ্যুয়াল ভাষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে বিস্তর আলোচনা। চলচ্চিত্র বিশ্লেষক, গবেষক ও দর্শকেরা নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে সিনেমাটিকে মূল্যায়ন করছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে ‘রইদ’। সিনেমাটি ইতোমধ্যে নেদারল্যান্ডসের ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারডাম, অস্ট্রিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ইনসব্রুক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবসহ বেশ কয়েকটি মর্যাদাপূর্ণ উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।

একই সময়ে ‘হাওয়া’ ও ‘রইদ’ প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শকরা মেজবাউর রহমান সুমনের নির্মাণ ভাবনা ও চলচ্চিত্র ভাষার দুটি ভিন্ন অধ্যায়কে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad