তিন দশক আগে চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার একসময়ের বন্ধু ও খলচরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সালমান শাহ হত্যা মামলার কারণে ডনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে ডনকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। এ সময় তাকে রাগান্বিত দেখা যায়। পাঁচ মিনিট পর বিচারক এজলাসে আসেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এদিন বিকালে ডনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।

আবেদনে বলা হয়, ডনসহ এজাহারনামীয় অন্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে সালমানকে হত্যা করেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে। ডন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি পালিয়ে যেতে পারেন এবং তদন্তে সমস্যা হতে পারে। তাই মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আদালতে বলেন, ডন এ মামলার চার নম্বর আসামি। তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন। ইমিগ্রেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন সালমানের পরিবারের সদস্যরা ইস্কাটনের বাসায় তার সঙ্গে দেখা করতে যান। তবে সালমানের স্ত্রী সামিরা হক তাদের বাসায় ঢুকতে দেননি বলে তিনি আদালতকে জানান। রাতে প্রডাকশন ম্যানেজার তাদের সালমানের কিছু একটা হয়েছে বলে জানান। পরে পরিবারের সদস্যরা বাসায় গিয়ে তাকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়।
মামলার অভিযোগে সালমানের মৃত্যুর বর্ণনা
মামলার বাদী সালমানের মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুমের অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নীলা চৌধুরী, বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমানের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।
কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের কিছু হয়েছে বলে জানান। এরপর তারা দ্রুত বাসায় ফিরে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। অভিযোগে বলা হয়েছে, তখন কয়েকজন নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন।
সালমানের মা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখা যায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যা বলে সন্দেহ করেছিলেন। এ কারণে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। ওই আবেদনে রমনা থানার অপমৃত্যুর মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন করা হয়।
কমরউদ্দিনের মৃত্যুর পর তার শ্যালক মোহাম্মদ আলমগীর তার বোন নীলা চৌধুরীর পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন। মামলায় অভিযুক্তদের কেউ মারা গিয়ে থাকলে প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, সালমানের ছোট ভাইকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ওই জবানবন্দিতে রেজভি বলেন, সামিরার সঙ্গে ডনের সম্পর্ক ছিল এবং ডন, ফারুক ও রেজভি ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে সালমানকে হত্যা করেন। প্রথমে সালমানকে অচেতন করা হয়। পরে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য তাকে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে জবানবন্দিতে দাবি করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডন গ্রেপ্তারের পর সালমানের মা নীলা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সালমান আমার সন্তান। সে আমার বুকের মধ্যে আছে, থাকবে। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আর সালমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল এই ডন। শুধু তাই নয়, সালমানের মৃত্যুর পর ডন আমাকে নানাভাবে অপমান করেছে এবং আমার ছেলের নামে অনেক মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। সে গ্রেপ্তার হয়েছে। সব প্রমাণ একদিন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা ও বর্তমান সরকারের কাছে আমার আস্থা আছে। সালমান হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা হোক। আশাকরি আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার একদিন পাব।’
সালমান শাহ’র মৃত্যু
সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে তখন থেকে আলোচনা চলছে।
সালমানের বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ওই দিন রমনা থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেন। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়। সেখানে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হয়।
পরিবার ওই প্রতিবেদন মেনে নেয়নি। ২০০৩ সালে ঘটনাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের ওই তদন্ত প্রতিবেদনেও মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলা হয়।
এরপর ২০১৬ সালে তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিবিআই পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমানকে হত্যা করা হয়নি; তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
পিবিআই প্রতিবেদনে আত্মহত্যার পেছনে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে ছিল অভিনেত্রী শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ, আবেগপ্রবণতার কারণে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা, মায়ের সঙ্গে জটিল সম্পর্ক এবং সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনের অপূর্ণতা।
নীলা চৌধুরী ও তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের দাবি, প্রতিবেদনটি সঠিক নয় এবং সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।
নীলা তার ছেলের মৃত্যুর জন্য সালমানের স্ত্রী সামিরা, শাশুড়ি লতিফা হক লুসি এবং তাদের সহযোগী ডন ও আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে দায়ী করে আসছেন। তবে সামিরা হক বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
হত্যা মামলা
সালমানের মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত বছর আদালত হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সালমানের মা নীলার পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভী আহমেদ ফরহাদ। অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।
ডনের নাম কীভাবে আসে
সালমানের মৃত্যুর মামলায় ডনের নাম আসে রেজভী আহমেদ ফরহাদের ১৯৯৭ সালের জবানবন্দিতে। ১৬৪ ধারায় দেওয়া ওই জবানবন্দিতে রেজভী দাবি করেন, সালমানকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানো হয়।
রেজভীর দাবি, সালমানকে হত্যার জন্য ১২ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তি করেছিলেন সালমানের শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। এতে ডন, ডেভিড, ফারুক ও জাভেদও ছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়।
রেজভী আরও দাবি করেন, ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় গুলিস্তানের একটি বারে ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ, ছাত্তার, সাজু ও রেজভী দেখা করেন। সালমানের স্ত্রী সামিরার সঙ্গে ডনের এবং সামিরার মায়ের সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন সম্পর্ক ছিল বলেও তিনি জবানবন্দিতে দাবি করেন।
মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ
সালমানের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত শুরু হওয়ার পর তার মরদেহের দেহাবশেষ উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
চলতি বছরের ২০ মে হত্যার কারণ খুঁজে বের করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সালমানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
পরে ২৪ মে সালমানের মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বাদীপক্ষ মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেন।
পরে ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।
মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট তারিখ ধার্য রয়েছে।
কে এই ডন
ডনের জন্ম ১৯৭১ সালে বগুড়ায়। সেখানেই তার পড়াশোনা। ১০ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ডন নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ঢাকায় স্থায়ী হন।
পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার কাজ শুরু হয়। সোহানের ‘লাভ’ ছবিতে তিনি খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবির নায়ক ছিলেন নাঈম এবং নায়িকা শাবনাজ।
১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ছবিতে নায়ক ছিলেন সালমান শাহ, নায়িকা মৌসুমী এবং খলনায়কের চরিত্রে ছিলেন ডন।
সালমান চার বছরের অভিনয়জীবনে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে ২৪টি ছবিতে ডন খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। ‘এ জীবন তোমার আমার’, ‘বিক্ষোভ’, ‘ভালোবাসার মূল্য কত’, ‘তোমাকে চাই’, ‘ফুলের মতো বউ’, ‘বিয়ের ফুল’, ‘জীবন সংসার’, ‘ভালোবাসা কারে কয়’ ও ‘মহামিলন’সহ আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রে তারা একসঙ্গে অভিনয় করেন।
ডন প্রায় সাড়ে ৬০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটক ও টেলিফিল্মেও কাজ করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনায়ও যুক্ত ছিলেন। ‘এক জনমের ভালোবাসা’ নামে একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন তিনি।
ব্যান্ড দল ‘আর্কাইভ’-এর সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। একসময় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
সালমান শাহ ও ডনের বয়স কাছাকাছি ছিল এবং তারা ২৪টি চলচ্চিত্রে একসঙ্গে অভিনয় করেন। তাদের মধ্যে বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে।
সালমানের মৃত্যুর পর দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডন বলেছিলেন, ‘সালমান আমার কেমন বন্ধু ছিলেন, তা চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবাই জানেন।’
ডন জানিয়েছিলেন, সালমানের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়েছিল ১ সেপ্টেম্বর। পরদিন তিনি বগুড়ায় চলে যান। তার ভাই বিদেশে থাকতেন এবং দেশে আসায় তার সঙ্গে দেখা করতে তিনি বগুড়ায় গিয়েছিলেন।


