পিআইওর সাবেক কর্মীর বাসায় সরকারি ত্রাণ, অভিযোগ যাচ্ছে দুদকে

পিআইওর সাবেক কর্মীর বাসায় সরকারি ত্রাণ, অভিযোগ যাচ্ছে দুদকে
উদ্ধারকৃত ত্রাণ। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ফেনীর ফুলগাজীতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয়ের এক সাবেক কর্মচারীর বাসায় সরকারি ত্রাণ উদ্ধারের ঘটনায় হওয়া মামলা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এরইমধ্যে মামলাটি দুদকে তফসিলভুক্ত হয়েছে।

​গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফুলগাজী সদর বাজারের দক্ষিণ পাশে আবদুল কাদেরের ভবনের নিচতলায় বিশেষ অভিযান চালায় প্রশাসন। ওই বাসায় ভাড়া থাকেন পিআইও-এর সাবেক অফিস সহকারী আবদুল বাকের (৬৫)। অবৈধভাবে ত্রাণ মজুদের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত আবদুল বাকের নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আমিন উল্লাহর ছেলে। ২০২৪ সালে তিনি ফুলগাজী পিআইও কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি নোয়াখালীর একটি উপজেলায় কর্মরত আছেন। তবে ফুলগাজীর ওই ভবনে বাকেরের পরিবার এখনো বসবাস করেন।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাসাটিতে সরকারি ত্রাণসামগ্রী অবৈধভাবে মজুত রয়েছে- স্থানীয়দের কাছ থেকে এমন খবর পেয়ে ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কাউসার হামিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

​অভিযানে উদ্ধার হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে- ৩০০ কেজি চাল, ৩২ লিটার সয়াবিন তেল, ৩০ কেজি লবণ, ৩০ কেজি চিনি, ৩৩ কেজি মসুর ডাল, ২০০ গ্রাম ওজনের ৩০ প্যাকেট হলুদের গুঁড়া, ১০০ গ্রাম ওজনের ৩২ প্যাকেট মরিচের গুঁড়া এবং ৩১ প্যাকেট ধনিয়ার গুঁড়া। মোট ১০ বস্তা ত্রাণের প্যাকেট ও তিন বস্তা শুকনো খাবার জব্দ করা হয়।

​ইউএনও মোহাম্মদ কাউসার হামিদ জানান, উদ্ধার করা মালামাল ২০২৪-২৫ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ এসেছিল। জব্দ করা এসব পণ্য বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে।

​ফুলগাজী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নূরুল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজীব আহম্মেদ বাদী হয়ে অভিযুক্ত আবদুল বাকেরকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি দুদকের শিডিউলভুক্ত হওয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগটি দুদকে পাঠানো হচ্ছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad