জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) কিছু কার্যক্রম ইনফ্লুয়েন্সড হয়ে করে বলে তার ধারণা। সোমবার নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা জানান।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কিছু কার্যক্রম আমাদের মনে হয় ইনফ্লুয়েন্সড হয়ে করে। যেমন, একটি দলের দাবির প্রেক্ষিতে বিএনসিসিকে কেন্দ্রে না রাখার বিষয়ে আমরা কিছু শুনেছিলাম। তবে তারা বলেছেন, এটি পুনর্বিবেচনা করছেন, এবং আমাদের স্পষ্ট দাবি থাকবে যে বিএনসিসি কেন্দ্রে থাকতে হবে। এবারের নির্বাচনটা একটু ভিন্ন হতে যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে এক্সট্রা ফোর্স থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসনিক রদবদল স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষভাবে হওয়া উচিত ছিল। তবে আমরা দেখছি, একটি দলকে কিছুটা বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। একটি দলের প্রার্থী অভিযোগ করলে সঙ্গে সঙ্গেই অফিসার উইথড্রয় করে নিচ্ছেন।
‘কিছু জায়গায় দেখেছি, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অস্বাভাবিক আচরণ করছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন বা নির্দিষ্ট দলের পক্ষে ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ করছেন। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকে কিছু স্পেসিফিক অফিসারদের অপসারণ এবং পরিবর্তনের জন্য বলেছি,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, ‘আরেকটি অভিজ্ঞতা হয়েছে, যখন আমাদের প্রার্থীরা বিভিন্ন অফিসারদের বিষয়ে ইসিতে লিখিতভাবে অভিযোগ করছেন, তখন তার রিপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে না।’
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘আজকে আমরা অনেক স্পেসিফিক অভিযোগ করেছি এবং আশা করি দ্রুত ফলাফল পাবো। আমরা প্রত্যাশা করি, নির্বাচন কমিশন মোবাইল ফোনের মত হঠাৎ করে সারপ্রাইজ ডিসিশন না নিক, যাতে নির্বাচনের পরিবেশ খারাপ না হয়। কারণ, মোবাইল ফোনের ডিসিশনের কারণে আমাদের ১১ দলের জোটের পক্ষ থেকে ঘেরাওয়ের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আমরা চাই না, এমন পরিস্থিতি আবার তৈরি হোক।’
এ ছাড়া, তিনি বলেন, ‘এনসিপি ভোটার এবং নির্বাচনী কর্মীদের, বিশেষ করে নারী কর্মীদের ওপর বারবার হামলা হচ্ছে, সাইবার বুলিং করা হচ্ছে এবং শারীরিকভাবে অসম্মান করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা বলেছি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছি।’


