লেবাননের যেকোনো প্রান্তে হামলার হুমকি নেতানিয়াহুর

লেবাননের যেকোনো প্রান্তে হামলার হুমকি নেতানিয়াহুর
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

[live_update time=”সন্ধ্যা ০৬.০৭” title=”লেবাননের যেকোনো প্রান্তে হামলার হুমকি নেতানিয়াহুর”]

লেবাননের যেকোনো স্থানে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ হামলায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পরদিন তিনি এই হুঁশিয়ারি দিলেন।

নেতানিয়াহু তার এক্সে (সাবেক টুইটার) জানান, ইসরায়েল সুনির্দিষ্ট ও দৃঢ়তার সঙ্গে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘প্রয়োজনবোধে যেকোনো স্থানে’ গিয়ে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালাবে ইসরায়েল। যারা ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে কাজ করে, তাদের ওপর এই হামলা চালানো হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েল। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দেশটিতে হামলা অব্যাহত রেখেছে তারা। ইসরায়েলের দাবি, তাদের এই অভিযান সরাসরি হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা প্রয়োজনবোধে যেকোনো স্থানে হিজবুল্লাহকে আঘাত করতে থাকব।’

সূত্র: আল জাজিরা

[/live_update]

[live_update time=”বিকাল ০৫.৪০” title=”হিজবুল্লাহপ্রধানের ভাতিজাকে ‘হত্যা’ ইসরায়েলের”]

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা লেবাননের রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেমের ভাতিজাকে হত্যা করেছে।

বুধবার রাতে লেবাননের বৈরুতে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বৈরুত এলাকায় হামলা চালিয়ে আলি ইউসুফ হারশিকে নির্মূল করে। তিনি হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেমের ব্যক্তিগত সচিব ও ভাতিজা।

সূত্র: রয়টার্স

[/live_update]

[live_update time=”বিকাল ০৫.১২” title=”লেবাননে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা স্পেনের, ইরানে দূতাবাস চালুর ঘোষণা”]

লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে স্পেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেছেন, বুধবার লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সদ্য কার্যকর হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

ইরান ও লেবাননে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের কড়া সমালোচক হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে স্পেন। মাদ্রিদ এই সংঘাতকে ‘বেপরোয়া ও অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে এতে জড়িত যেকোনো উড়োজাহাজের জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।

নিজ দেশের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে আলবারেস বলেন, ‘ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে কীভাবে লেবাননে শত শত বোমা ফেলেছে।’

এর আগে, একই দিনে আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে স্পেনের দূতাবাস আবার চালু করার ঘোষণা দেন তিনি।

সাংবাদিকদের আলবারেস বলেন, ‘আমি আমাদের রাষ্ট্রদূতকে তেহরানে ফিরে যেতে, আবার তার দায়িত্ব গ্রহণ করতে এবং আমাদের দূতাবাস আবার চালু করতে নির্দেশ দিয়েছি, যাতে সম্ভাব্য সব দিক থেকে, এমনকি তেহরান থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টায় আমরা অংশ নিতে পারি।’

সূত্র: রয়টার্স

[/live_update]

[live_update time=”দুপুর ২.০৭” title=”পাকিস্তান সফর নিশ্চিত করার পোস্ট মুছে দিলেন ইরানি রাষ্ট্রদূত”]

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের প্রতিনিধিরা বৃহস্পতিবার রাতেই ইসলামাবাদ সফর করবেন’ জানিয়ে পোস্ট মুছে দিয়েছেন পাকিস্তানে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম।

সকালে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ওই পোস্টটি এখন আর প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে না।

ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত না করায় এবং ইসরায়েল সেখানে ব্যাপক হামলা চালানোয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সংশয় রয়েছে। এখনো আলোচনায় অংশ নিতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেনি তেহরান।

এমন পরিস্থিতিতে মোগাদ্দামের পোস্ট মুছে ফেলায় বিশ্বনেতাদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে তিনি কেন পোস্টটি মুছে ফেলেছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। 

[/live_update]

[live_update time=”দুপুর ১.১২” title=”যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ঘিরে ইসলামাবাদে কড়া নিরাপত্তা, স্কুল-অফিস ছুটি ঘোষণা”]

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আসন্ন শান্তি আলোচনাকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পাকিস্তান। সে লক্ষ্যে রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দিনের জন্য সব স্কুল ও সরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। মোতায়েন করা হয়েছে শত শত অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী।

বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা শুক্রবারের মধ্যেই ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন। সংকটময় ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমাতে সব স্কুল ও অফিস বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

পাশাপাশি শহরজুড়ে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইসলামাবাদকে পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডির সঙ্গে যুক্ত করা প্রধান সড়কগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সড়কে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিদেশি দূতাবাস অঞ্চলগুলোকে উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ‘রেড জোন’ ঘোষণা করে প্রবেশ পথগুলোতে শিপিং কনটেইনার বসিয়ে অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

আলোচনায় অংশ নিতে আসা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের জন্য নির্ধারিত হোটেলেও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত কড়া হয়েছে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসলামাবাদ।

এপির প্রতিবেদনে অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ইসলামাবাদে অস্বাভাবিক নীরবতা দেখা গেছে। অনেকেই ছুটি পেয়ে ঘরে অবস্থান করেছেন। রাওয়ালপিন্ডির সঙ্গে যোগাযোগে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে জনগণকে বাধ্য করায় যাতায়াতে সময় বেশি লাগছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

গত মার্চের শুরুতে ইরানে হামলার জেরে এবং তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তুল্লাহ খামেনিকে পরিবারসহ হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিয়া অনুসারীরা পাকিস্তানের করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ সময় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী বাধা দিলে এবং বল প্রয়োগ করলে পাকিস্তানজুড়ে ২৪ জনের বেশি নিহত হন।

[/live_update]

[live_update time=”দুপুর ১২.১৫” title=”শান্তি চুক্তির আলোচনায় রাতেই পাকিস্তান যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিরা”]

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধি দল।

পাকিস্তানে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ভিত্তি করেই ইসলামাবাদে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

মোগাদ্দাম বলেন, ‘ইসরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে হামলা চালানোর মাধ্যমে শান্তি প্রক্রিয়ার কূটনৈতিক উদ্যোগকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ কারণে ইরানের জনগণের মধ্যে সংশয় থাকলেও আমাদের প্রতিনিধি দলটি পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে। আমরা শান্তির চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করছি না।’

ইরানের রাষ্ট্রদূত জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে এই প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার রাতেই ইসলামাবাদে পৌঁছাবে এবং সেখানে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ অনুষ্ঠিত হবে।

[/live_update]

[live_update time=”বেলা ১১.৫২” title=”লেবাননকেও যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার আহ্বান অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্যের”]

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।

ব্রিসবেনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে- এই যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’

‘এই যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে একটি “গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি”, তবে এটি একই সঙ্গে “নাজুক পরিস্থিতি”। আমরা চাই এটি একটি স্থায়ী চুক্তির দিকে এগিয়ে যাক’, যোগ করেন আলবানিজ।

তিনি আরও বলেন, ‘লেবাননে যা ঘটছে তা নিয়ে অনেক অস্ট্রেলিয়া উদ্বিগ্ন। এটি শুধু ওই দেশের ওপর প্রভাব ফেলছে না, বরং বিশ্বজুড়েও প্রভাব ফেলছে।’

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং এক বিবৃতিতে লেবাননের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানালেও সেখানে ইসরায়েলের হামলার সরাসরি নিন্দা জানাননি।

এদিকে অস্ট্রেলিয়া সরকারের কেবল ‘নিন্দা’ জানানোকে ‘নীরস’ বলে সমালোচনা করেছেন দেশটির খ্যাতনামা এ টি মিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা জান ফ্রান।

তিনি বলেন, ‘লেবাননের বেসামরিক মানুষের ওপর সাম্প্রতিক গণহত্যার মতো হামলা নিয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া দুঃখজনক হলেও অপ্রত্যাশিত নয়।’

‘যদি একই ঘটনা পশ্চিমাদের সঙ্গে ঘটত, আমেরিকান, অস্ট্রেলীয়, ব্রিটিশ বা ইউরোপীয়দের ওপর…তাহলে কি আমরা জ্বালানির দামের কথা বলতাম, নাকি স্পষ্টভাবে বলতাম যে এটি বর্বর ও নিন্দনীয়?’, প্রশ্ন রাখেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি লেবাননকে যুদ্ধবিরতিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকেও আনতে হবে। ইসরায়েল সেখানে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘লেবাননের পরিস্থিতি উপেক্ষা করে কোনো যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে না।’

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত থাকতে হবে। এ পথে চলাচলের জন্য ইরান যে ফি আরোপের চেষ্টা করছে, তারও বিরোধিতা করেন কুপার।

সূত্র: আল জাজিরা

[/live_update]

[live_update time=”বেলা ১১.১২” title=”৪০ দিন পর আল-আকসা মসজিদ খুলে দিল ইসরায়েল, ভোরে মুসল্লিদের ঢল”]

ইসরায়েলের আরোপিত ৪০ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ ফের খুলে দেওয়া হয়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময়  চলা এই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার ভোরের প্রথম প্রহরেই মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের ঢল নামে।

গাজা যুদ্ধের পর থেকেই আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি ও মুসলমানদের প্রবেশ সীমিত করে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তবে সম্প্রতি ইরান যুদ্ধের জেরে মসজিদে প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর স্বাভাবিকভাবে আবারও মুসলমানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মসজিদে নামাজ আদায়ের সুযোগ ফিরে পাওয়ায় মুসল্লিদের মধ্যে স্বস্তি ও আবেগঘন পরিবেশ দেখা যায়।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১০.৫৩” title=”ইরান ঘিরে থাকবে মার্কিন বাহিনী, শর্ত না মানলে ফের ‘গুলিবর্ষণের’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের”]

ইরান যুদ্ধ

ইরানের আশপাশে অবস্থান করা মার্কিন সামরিক জাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং সেনারা সেখানেই অবস্থান করবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া চুক্তি পুরোপুরি মানা না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও “গুলিবর্ষণ” শুরু করবে।’

স্থানীয় সময় বুধবার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রসহ সব মার্কিন জাহাজ, বিমান এবং সামরিক সদস্য ইরান এবং এর আশপাশে অবস্থান করবে।’

‘যদি কোনো কারণে তা না হয়, আমার ধারণা যা ইরানের জন্য একেবারেই অসম্ভব, তাহলে আবার “গুলিবর্ষণ” শুরু হবে। এবার আগের চেয়ে অধিকমাত্রায়, আরও শক্তিশালী এবং আগে কখনো দেখা যায়নি এমনভাবে হবে’, হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এর আগে বুধবার ইরান জানায়, লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়া ‘অযৌক্তিক’ হবে। ওই হামলায় দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও দুই পক্ষের অবস্থান স্পষ্টভাবে ভিন্ন। ট্রাম্প বলেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যেতে পারবে।

অবশ্য বুধবার রাতে দেওয়া আরেক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, অনেক আগেই ইরান এ বিষয়ে একমত হয়েছিল। সব ভুয়া বক্তব্যের বিপরীতে- ইরানে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ থাকবে।’

‘আমাদের সেনারা এরমধ্যে আরাম করছেন, নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছেন এবং অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছেন… আমেরিকা ইজ ব্যাক! (যুক্তরাষ্ট্র ফিরে এসেছে)।’

সূত্র: রয়টার্স

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১০.৩৫” title=”লেবাননে ইসরায়েলের ‘ব্যাপক হামলা’, জাতিসংঘের তীব্র নিন্দা”]

সাম্প্রতিক যুদ্ধে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় হামলায় শতাধিক বেসামরিক মানুষ হতাহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বুধবারের এই হামলার বিষয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও রাতভর এসব হামলায় শিশুসহ শতাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই।’

মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মহাসচিব বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং ক্রমবর্ধমান হতাহতের সংখ্যা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

লেবাননে চলমান সামরিক তৎপরতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্যও ‘গুরুতর ঝুঁকি’ তৈরি করছে বলে মনে করেন গুতেরেস। যুদ্ধের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরতে জোর দেন তিনি।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১০.১৮” title=”ইসরায়েল যুদ্ধ না থামালে শান্তি চুক্তি ‘অযৌক্তিক’: ইরান”]

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘স্থায়ী শান্তি চুক্তি’ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়াকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মনে করছে ইরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, দেশটির পক্ষ থেকে শান্তি আলোচনা পর্যবেক্ষণের জন্য মনোনীত প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ইসরায়েল স্পষ্টতই যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইছে না।’

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি স্বাগত জানিয়ে ইসরায়েলে হামলা থেকে সরে আসার পরও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে বুধবার রাতভর লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। লেবাননে এ পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ হামলায় নিহত হয়েছেন কয়েকশ মানুষ।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানায়, বুধবার ইসরায়েলের হামলায় দেশজুড়ে অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী বৈরুতে নিহত হয়েছেন ৯১ জন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছু হামলার আগে সাধারণত যে সতর্কতা দেওয়া হয়, এবারের হামলায় সেটিও করা হয়নি।

নেতানিয়াহু হুমকি দিয়ে বলেন, ‘ইসরায়েল “যেকোনো মুহূর্তে” আবার পূর্ণ মাত্রায় যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত এবং আমরা “ট্রিগারে আঙুল” দিয়ে রেখেছি।’

এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও গালিবাফের মন্তব্যের পর তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এমনকি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না, তা নিয়েও সংশয় আছে।

গালিবাফ অভিযোগ করেন, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা বাড়িয়ে ইসরায়েল এরইমধ্যে যুদ্ধবিরতির একাধিক শর্ত লঙ্ঘন করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগে চাপ দিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা অযৌক্তিক।’

তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই দাবি, ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরান ভেবেছিল যুদ্ধবিরতি লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে, কিন্তু তা হয়নি। এই যুদ্ধবিরতি কেবল ইরানের জন্য প্রযোজ্য, সেটিও নির্ধারিত শর্তে।’

এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধে সম্মত হয়েছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও বলা হয়, ইরান তার বিদ্যমান পারমাণবিক উপাদান মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরে রাজি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে কাজ করে গভীরে লুকিয়ে থাকা পারমাণবিক উপাদানের “প্রতিটি কণা” খুঁজে বের করে সরিয়ে দেবে।’

অন্যদিকে গালিবাফ বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যেতে পারবে। ইরান কেবল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকতে রাজি হয়েছে। ইউরেনিয়াম মজুত সমৃদ্ধি বন্ধের কোনো শর্তে তেহরান ভোট দেয়নি।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয় দাবি করলেও মূল বিরোধগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তি আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করতে পারে।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ লেবাননে ইসরায়েলের “নির্বিচার হামলা” তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকে পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি সম্ভব নয়।

এদিকে যুদ্ধবিরতি চলাকালেও পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের তেল স্থাপনাতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সৌদি আরবের একটি পাইপলাইনসহ কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।

হরমুজ প্রণালিতে এখনো তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না। শিপিং কোম্পানিগুলো বলছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা চলাচল শুরু করতে পারছে না।

অবশ্য ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কর্পস হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিকল্প পথের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যাতে জাহাজগুলো নৌমাইন এড়িয়ে চলতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছেন, যারা ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করবে, তাদের সব পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৯.৩৬” title=”ইরান যুদ্ধে পাশে না থাকায় ফের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ট্রাম্পের”]

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়া ফের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউরোপীয় সামরিক জোট ন্যাটোর সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিপদে কখনোই ইউরোপকে পাশে পাওয়া যায়নি, অথচ যুক্তরাষ্ট্র বার বার যে কোনো সংকটে ইউক্রেনসহ ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তা করেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সময়ও ন্যাটোর সমর্থন মেলেনি অভিযোগ করে সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন আমাদের প্রয়োজন ছিল, তখন ন্যাটো ছিল না। আর ভবিষ্যতেও আমাদের প্রয়োজন হলে তারা থাকবে না।’

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও পরিচালনায় সহায়তা করা ইউরোপীয় দেশ ও ন্যাটো জোটকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘তোমরা গ্রিনল্যান্ডকে মনে রাখো- খুবই খারাপভাবে পরিচালিত বিশাল এক বরফের টুকরো!’

এর আগে প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ২০১৯ সালে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সরকার সেই প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে জানায়, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।

২০২৪ সালের শেষে দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েই তিনি ফের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছেন।

গত ডিসেম্বরে তিনি বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রকে “জাতীয় সুরক্ষা” দেবে এবং আমাদের এটি “যে কোনো মূল্যে” দরকার।’ উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর নিরাপত্তা পরিকল্পনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিও রয়েছে।

ন্যাটো সদস্য দেশ ডেনমার্কের অধীনে থাকা এই দ্বীপকে নিয়ে ট্রাম্পের এমন অবস্থান জোটের অভ্যন্তরে সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

[/live_update]

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad