চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে (ইডিইউ) অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক অর্থনীতি সম্মেলন ‘ইকোনোব্রিয়াম ৪.০’। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘ফ্রেমিং দ্য ফিউচার: মাল্টিসেক্টোরাল ইকোনমিক রিফর্মস ফর আ নিউ বাংলাদেশ’।
সম্মেলনে উদ্ভাবন, নীতি–সংস্কার, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে আগামীর অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় শুরু হয় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা। সম্মেলনের কনভেনর তাসমীম চৌধুরী বহ্নি উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক বাংলাদেশ গড়তে সমন্বিত সংস্কারই মূল শক্তি।’
এসময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিকসের অধ্যাপক নাহিদ আখতার জাহান। তিনি বলেন, কৌশলগত নীতি–সংস্কার ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনীতি গড়া সম্ভব নয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিস-এমকেএসের বাংলাদেশের টিম লিড শাইং শাইং ইউ নিনি এবং ব্যাংক এশিয়া পিএলসির আগ্রাবাদ শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন খন্দকার।
তারা আঞ্চলিক উন্নয়ন, বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন ও টেকসই অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এরপর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার, নীতি–সংস্কার ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সেখানে সরাসরি আলোচনা হয়।
সম্মেলনে বক্তব্য দেন আয়োজন কমিটির উপদেষ্টা ও ইডিইউর সহযোগী ডিন ড. রাশেদ আল করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইডিইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা ও প্রফেসোরিয়াল ফেলো প্রফেসর এম সিকান্দার খান বলেন, তরুণদের ভবিষ্যতধর্মী চিন্তার বিকাশে এমন আয়োজন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইডিইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। সমাপনী বক্তব্য দেন কো–কনভেনর আবু এম হানিফ।
সম্মেলনে দুপুরে শুরু হয় ইন্টারঅ্যাকশন জোন ও ইনোভেটিভ এক্সপো, যেখানে শিক্ষার্থীরা গবেষণাধর্মী প্রকল্প, নতুন ধারণা এবং প্রযুক্তিগত সমাধান ঘুরে দেখার সুযোগ পান। বিকালে অ্যাম্ফিথিয়েটারে সাংস্কৃতিক কার্নিভাল ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ তৈরি করে।


