শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণের বাইরে থাকা ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৯ লাখ যুব ও যুব নারীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে ইকোনমিক অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট (ইএআরএন) প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই প্রকল্পের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণে নেই—এমন ৯ লাখ যুব ও যুব নারীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। উপকারভোগীদের মধ্যে ৬০ শতাংশই নারী।
বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় পরিচালিত এ প্রকল্পে প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ এবং বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তির ভিত্তিতে ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেন, কেয়ার বাংলাদেশ ও ঢাকা আহছানিয়া মিশন সেবা দানকারী হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আমেনা বেগম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো যুব সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং যুব-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী এসব সেবা যুবসমাজের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারলেই প্রকল্পের প্রকৃত সফলতা আসবে।
তিনি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কার্যকর মনিটরিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দেশীয় সনদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো সনদ দেওয়া যায় কি না, তা পর্যালোচনার আহ্বান জানান। এছাড়া প্রতিটি প্রশিক্ষণ সেশনে অন্তত পাঁচ মিনিট নীতি-নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ বিষয়ক আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করারও পরামর্শ দেন।


