কক্সবাজারে জেলা ও দায়রা জজ আদালত এলাকায় গোলাগুলি ও অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আসা বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী সিকদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
বুধবার দুপুরে কক্সবাজার অতিরিক্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক ইরফানুল হক চৌধুরী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৪ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেছনে আদালতের পশ্চিম গেটে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে। সে সময় মঈন উদ্দিন নামে লিয়াকত আলী সিকদারের এক চাচাতো ভাই গুলিবিদ্ধ হন এবং অস্ত্রসহ একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
সুত্র বলছে, বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী সিকদারকে হত্যার জন্যই ওই গোলাগুলির ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পেয়েছিল, লিয়াকত আলী সিকদার নিজেই গোলাগুলির এই ঘটনা সাজিয়েছিলেন।
পরে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি লিয়াকত আলী সিকদারসহ তার সহযোগীদের আসামি করে মামলা দায়ের করেছিল।
প্রসঙ্গত, ওইদিন পিস্তলসহ আটক জিয়াউল হক জিয়া ঈদগাঁও উপজেলার সীমান্ত পয়েন্টের রামু উপজেলাধীন কালিরছড়া এলাকার বাসিন্দা। তার কাছ থেকে একটা পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুইটা ম্যাগাজিন, ছয়টা গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছিল।


