নিরাপদ কর্মপরিবেশ, পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য এবং শ্রমের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
রোববার ঢাকায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর আলোকে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে তা দ্রুত জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে আইনটির বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বলেন, বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা আইএলও পর্যবেক্ষণ করেছে এবং তা বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে সংস্থাটি আগ্রহী।
তিনি বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-কে আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়া এবং আইএলওর কাছে দেওয়া বাংলাদেশের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সংশোধিত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
এ ছাড়া আইনের যেসব ধারায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে।
তিনি জানান, আইনের খসড়ায় আপাতত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই পরিবর্তন আনা হবে।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


