সিলেটে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় এক আনসার সদস্যসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন।
মঙ্গলবার সকালে জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু করিচর ব্রীজ এলাকায় ও দুপুরে হরিপুর ৭ নম্বর কূপের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, এদিন সকাল ৯টার দিকে সিলেট তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু করিচর ব্রীজ এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে মো. জিহাদ (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় বাসের অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
নিহত জিহাদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার হাজিগঞ্জ (পার্ট) গ্রামের নুরুল হক নূরার ছেলে। তিনি এশিয়া ট্রান্সপোর্ট পরিবহনের একটি বাসের হেলপার ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা থেকে জাফলং যাচ্ছিল এশিয়া ট্রান্সপোর্ট পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। হেমু করিচর ব্রীজ এলাকায় আসার পর বিপরীত দিক থেকে আসা পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে ধাক্কা দিলে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে বাসের হেলপার নিহত হয় আহত হন অন্তত ২০ জন।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে একই দিনে বেলা ১২টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের হরিপুর ৭নম্বর কূপের সামনে হাইয়েস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক আনসার সদস্যের মৃত্যু হয়।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, বেলা ১২টার সময় জৈন্তাপুর থানাধীন সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ৭ নম্বর কুপের সামনে হাইয়েস গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে হাইয়েস গাড়িটি রাস্তার পাশে চা দোকানে বসা ৭ নম্বর কূপে কর্মরত আনসার সদস্যকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিনি। নিহতের নাম- মোস্তফা মিয়া।
এ ঘটনায় দুইজন গুরতর আহত হয়েছেন। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে জানায় পুলিশ।
তামাবিল হাইওয়ে থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, আলাদা দুর্ঘটনায় নিহত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুটি দুর্ঘটনার পরই যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।


