যুবসমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতন করতে প্রতিটি জেলায় কর্মশালা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
তিনি বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিবন্ধিত সংগঠনগুলোর মাধ্যমেও সচেতনতামূলক এই প্রচারাভিযান চলছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৬৪ জেলায় বিভিন্ন মেয়াদি কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক তৈরি, ব্লক-বাটিক, মৎস্যচাষ, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজওয়্যারিং, ইলেকট্রনিক্স, রেফ্রিজারেশন ও মোবাইল সার্ভিসিং। আবাসিক কেন্দ্রের মাধ্যমে গবাদিপশু-হাঁসমুরগি পালন ও কৃষিশিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণও চলছে।
উপজেলা পর্যায়ে বেকার যুব ও যুবনারীদের দক্ষতা বাড়াতে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার নতুন প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মহানগরে কর্মহীন যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিং, কেয়ারগিভিং ও বিদেশি ভাষা শিক্ষা দিয়ে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটেও ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সিদের জন্য আইসিটি, কৃষি, পর্যটন ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন বিষয়ে কোর্স চালু রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও শেষ। দ্রুতই প্রকল্পটির কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


