২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ পালন করেছে ইউসিএসআই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস।
রোববার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে নাগরিক সচেতনতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের আহ্বান জানান। তারা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দৃঢ়তা বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তরুণ ব্যক্তিত্ব ও গণমাধ্যমকর্মী দীপ্তি চৌধুরী জুলাই আন্দোলনের অব্যাহত প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এই আন্দোলনের উত্তরাধিকার বর্তমান তরুণ প্রজন্মের ওপর গণতান্ত্রিক নীতি রক্ষা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অর্থবহ অবদান রাখার গভীর দায়িত্ব অর্পণ করেছে।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী জুনাইদুর রহমান খান ও বুশরা করিম তায়ীন আন্দোলনের সম্মুখসারিতে নিজেদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা প্রতিবাদের সময়কার তীব্র সংগ্রাম এবং শিক্ষার্থী সমাজের সম্মিলিত দৃঢ়তার কথা স্মরণ করেন।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল উদ্ভাবন অনুষদের প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জাতি গঠনে শিক্ষার্থীদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমাপনী বক্তব্যে ইউসিএসআই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাসের প্রভোস্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর আহমেদ সুমান সুবহান জুলাই আন্দোলনের মূল শিক্ষা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন নির্ভর করে এমন জ্ঞানসমৃদ্ধ, সামাজিকভাবে সচেতন ও দায়িত্বশীল নেতা গড়ে তোলার ওপর, যারা সমাজের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, আত্মত্যাগ ও অর্জন নিয়ে একটি শক্তিশালী দৃশ্যভিত্তিক উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নিয়ে গম্ভীর পরিবেশে আন্দোলনের স্মৃতি স্মরণ করেন।


