বৃত্তি ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকবে সরকার: শিক্ষা উপদেষ্টা

বৃত্তি ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকবে সরকার: শিক্ষা উপদেষ্টা
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

বৃত্তি ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সাংবাদিক সমাজ ও তাদের পরিবারের পাশে সরকার থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার।

তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজ ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, রাষ্ট্রেরও নৈতিক কর্তব্য। এ উদ্যোগ গ্রহণ করায় ডিআরইউ এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান এনআরবিসি ব্যাংককে তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ আব্দুল কাইয়ুম খান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারবর্গ।

আরও পড়ুন

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্রের সব দায়িত্ব সব সময় প্রত্যাশিত মাত্রায় পালন করা সম্ভব হয় না। সেখানেই নাগরিক সমাজ ও ডিআরইউ-এর মতো সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং তাদের ব্যক্তিত্ব ও প্রতিভা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক উদ্যোগ সত্যিই অনুকরণীয়।

প্রয়াত সাংবাদিক আনোয়ারুল হকের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ডিআরইউ প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্নে কিছু সাংবাদিক ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় নিজেদের সংগঠন গড়ার দৃঢ় সংকল্প থেকেই এ প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করে। আজকের অগ্রযাত্রা সেই সাফল্যেরই প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, রিপোর্টারদের কর্মব্যস্ততার কারণে পরিবার, বিশেষত সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে না পারা একটি বড় কষ্ট। সেই শূন্যতা পূরণে সহকর্মী ও সংগঠনের পক্ষ থেকে যে সহমর্মিতা ও দায়বদ্ধতা দেখানো হচ্ছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।

ডিআরইউ পরিচালিত উইকেন্ড স্কুলের উদ্যোগকে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, শিশুদের সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও অন্যান্য প্রতিভা বিকাশে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে ওঠা অত্যন্ত ইতিবাচক অর্জন। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণাঙ্গ স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad