গুদামে পর্যাপ্ত ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে জানিয়ে কোনো ধরনের গুজোবে আতঙ্কিত না হতে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন (বিসিআইসি)।
নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ইউরিয়ার চাহিদা বর্তমান গুদামজাত সার দিয়ে পূরণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার নীলফামারী, মহেন্দ্রনগর (লালমনিরহাট) ও কুড়িগ্রামের সার গুদাম পরিদর্শন শেষে এসব কথা জানান বিসিআইসির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান।
গুদাম পরিদর্শনের সময় স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে সার গণনা করে মজুতের পরিমাণ নিশ্চিত করেন।
বিসিআইসির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘চাহিদানুযায়ী ডিলারদেরকে বিসিআইসির কারখানা ও বাফার গুদাম হতে যথাসময়ে সার সরবরাহ করা হচ্ছে।’
কৃত্রিম সংকট, মূল্য বৃদ্ধি ও অপপ্রচার রোধে স্থানীয় প্রশাসনের মনিটরিং বাড়ানোর ওপরও জোর দেন তিনি।
বিসিআইসি জানায়, বর্তমানে স্থানীয় তিনটি সার কারখানায় প্রতিদিন ৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
সার বিতরণ সুষ্ঠু রাখতে বাফার গুদাম ও কারখানাগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি শুক্র ও শনিবারসহ সপ্তাহে সাত দিন সার বিতরণ কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।


